বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক বিসাক্ত পোকামাকড় গুলো কেমন?অনেক ভয়ংকর?অনেক বড়?অনেক শক্তিশালী?না,আসলে মারাত্মক বিসাক্ত পোকামাকড় গুলো এমন না।এগুলো খুবই স্বাভাবিক।আপনি যেটা দেখে এভয়েড করবেন।আপনি ভাববেন এটা খুবি সাধারন একটি প্রানী।যার ফলে যে কোন সময় মারাত্বক ক্ষতির সম্মুখিন হবেন।তাই জেনে ও চিনে রাখুন বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক বিসাক্ত পোকামাকড় সম্পর্কে।
বিশ্বের শীর্ষ 10টি মারাত্মক পোকামাকড় হল,
10. পঙ্গপাল
অবাক হয়েছেন তাই না? যদিও পঙ্গপাল সরাসরি মানুষকে হত্যা করে না।তাহলে কেন তারা মারাত্বক?আপনি কি জানেন পঙ্গপাল কি খায়? পঙ্গপাল বিভিন্ন ঘাস খেয়ে থাকে, যা ফসলও হতে পারে।যেমন ধান,গম,ভুট্টা,সাকসবজি,ফলমূল ইত্যাদি।সহজ কথায় তারা যে কোন লতানো নরম গাছ ও পাতা খেয়ে ফেলে।তাদের খাওয়ার পরিমান মোটেও কম নয়।পঙ্গপালের একটি মাঝারি আকারের দল একদিনে প্রায় ১ বিগা(33 শতক) জমির সকল ঘাস(যেমন ধান ,ঘম, সাকসবজি,ইত্যাদি) খেয়ে একদম 0% করে দিতে পারে।তাহলে ভাবুন এদের দুই চার লক্ষ ছোট বড় দল মিলে মাস খানেকের মধ্যে যে কোন দেশকে খালি করে দিতে পারে।যেখানে কোন খাদ্য নেই সেখানে মানুষ কিভাবে বাচবে।এক কথায়, মানুষ ও বিভিন্ন প্রানির অনাহারে মৃত্যুর কারন হতে পারে পঙ্গপাল
9. বট মাছি
এটি এমন একটি মাছি যে,এটি আপনার সরীরে বসে সরীরের ভিতরে ডিম পেরে দেবে।যা পরে ডিম ফেটে বাচ্চা হবে।বাচ্চাগুলো সরীরের ভীতরে থাকবে এবং সরীরের অংস খেতে থাকবে।তারা রক্ত নালি দিয়ে চলাচল করবে এবং সরীরের ভেতরেই বংশ বৃদ্ধি করবে।এভাবে একটা প্রানির অঙ্গপ্রতঙ্গ সম্পূর্ন অকেজো করে ,তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের দক্ষিণে, মেক্সিকোতে বা দক্ষিণ আমেরিকা এবং রেইনফরেস্টে এদের দেখা মেলে।
8. জায়ান্ট জাপানিজ ভিমরুল
এই ভিমরুলদের হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।কারন এদের 2 থেকে 3 ইঞ্চি লম্বা শিং রয়েছে।শিংটিতে খবিই বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে।যা একজন মানুষকে প্যারালাইসিস, কিডনি নষ্ট এমনকি মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে।এরা কামড়ানোর পর ধীরে ধীরে সরীরে বিষ ছড়িয়ে পরে।তবে এদের কামর প্রথম অবস্থায় সাধারন ভিমরুলের মতই ব্যাথার সৃষ্টি করে। এটি এশিয়ান ভিমরূল নামেও পরিচিত।এরা মানুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়,বিষেস করে যখন মানুষ ঘামে, এবং অ্যালকোহল পান করে।
7. মৌমাছি
এই সুন্দর ছোট মধু তৈরিকারী পোকা কীভাবে বিপদজনক হতে পারে? সাধারনভাবে বিপদজনক না হলেও ,এরা প্রানীর মারাত্বক ক্ষতি করতে পারে।তাদের দলের একজন রানী থাকে।সকল মৌমাছি রানীকে তাদের জীবন দিয়ে রক্ষা করে।যদি কখনো তাদের রানীর উপর আক্রমন হয়,তাহলে আশেপাশে যেকোন প্রানিকে এদের দল কামরিয়ে তাদের বিষ দ্বারা মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।কোন প্রানিকে যদি ১০০ মৌমাছি কামরায় তাহলে ঐ প্রানীর অনেক বেশি জ্বর হবে।যারফলে তার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
6. মশা
কি অবাক হচ্ছেন তো!এই সাধারন পোকা,যা প্রায় সব খানেই রয়েছে তা কিভাবে মারাত্বক হতে পারে?মশা যেকোন প্রানিকে কষ্ট দিয়ে ভুগিয়ে ভুগিয়ে একটি যন্ত্রনা দায়ক মৃত্যু দিতে সক্ষম।কিন্তু কিভাবে সেটা সম্ভব? সম্ভব!এই বিশ্বের সব থেকে ছোট জিবানু থেকে সুরু করে সবচেয়ে বড় জিবানু পর্যন্ত সকল রোগজিবানু বা ভাইরাস মশা বহন করতে পারে।তাই একটি মশা অনেক একটি রোগের সৃষ্টি করতে পারে।যার ফলে প্রানিটি মারা পর্যন্ত যেতে পারে।তাই মশাকে কখনো সাধারন ভাবে দেখা উচিত না।প্রায় সকল রোগের মূলে রয়েছে এই মশা।এমনকি এইডস রোগও এই মশা ছড়াতে পারে।কিন্তু কিভাবে? যেহেতু তরল মাধ্যমে এইডস ছড়ায়,সেহেতু মশা একজনের থেকে তরল নিয়ে অন্যের মাঝেও ছড়াতে পারবে।তো সবাই মশা থেকে সাবধান থাকবেন
5. মাছি
মাছিও মশার মতই একই কাজ করে থাকে।
4. বাগ চুম্বন
চুম্বন বাগ!এই চুম্বন কত মিষ্টি? এটি একটি এমন প্রানী যে চুম্বন দেয়।বাগ মানে হল জিবানু বা ছারপোকা। তবে নামটিকৌ প্রতারণামূলক। এটি আসলে একটি রক্ত-চোষা পরজীবী।এটি বিভিন্ন প্রানির রক্ত চুষে খায়।যাকে বলতে পারেন চুমু খায়।এরা চুমু খাওয়ার পর একটি উপহার দরেখে যায়!সেটা হল,চাগাস।চাগাস হল, প্রাণঘাতী একটি রোগ।
3. আগুন পিঁপড়া
এই ছোট পিঁপড়ারা মাটি এবং বালিতে তাদের উপনিবেশ তৈরি করে।এদের বাসায় পা পড়লে আপনি বোজে উঠার আগেই আপনার পা পিপড়ায় ঢেকে যেতে পারে এবং আপনার দূরে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার আগেই কামড় শুরু হয়ে যায়। এই কামড়গুলি কেবল বেদনাদায়কই নয়,এর ফলে বড় ধরনের অ্যালার্জি হতে পারে ।
2. বুলেট পিঁপড়া
এই পিঁপড়ার দৈর্ঘ্য 1 থেকে 2 ইঞ্চি হয়ে থাকে।আপনি বোজতে পারছেন তো এর কামড়ের অনুভূতি এর নামের মতই ইঙ্গিত করে। যদিও এদের কামরে মানুষ মারা যায় না।তবে এদের কামড়ের বিষ অনেক বেশি।এমনকি একজন সাধারন মানুষকে তিন চারটি বুলেট পিপড়া কামড়ালে সে বিছানা সয্যা হতে বাধ্য হবে।তো বলা যায় অধিক কামড়ে একজন মানুষ ব্যথায় মারাত্বক অসুস্থ বা মৃত্যু হতে পারে।
1. ড্রাইভার পিঁপড়া
না, তারা আপনার গাড়ি চালায় না! তারা তাদের নাম পেয়েছে কারণ তারা ক্রমাগত চলাফেরা করছে, খাবারের সন্ধান করছে। তাদের সংখ্যা এত বেশি যে তাদের প্রতি কয়েকদিন পর পর একটি নতুন খাদ্য উৎসের প্রয়োজন হয়।তবে এরা কেমন খাবর খোজে? তারা সাধারন কোন খাদ্য নয়, বরং জ্যান্ত হাসমুরগি ,ছোট ছোট প্রানি,ছোট শিশু সহ যা পায় সব খায়।এমনকি একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষকেও দুএক মিনিটের মধ্যেই ধুলিস্সাত করে দিতে পারে।ভুলেও কখনো এদের সম্মুখিন হওয়া উচিত না।
এমন ক্ষতিকর পোকামাকড় ধমনে আপনার দেশ কি পদক্ষেপ নিয়ে? এবং সেটা বাস্তবিক ভাবে কতটা কার্যকর হয়? কমেন্টে জানাতে না।আপনি জানেন কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশের উন্নত দেশগুলোতে পোকামাকড় ধমনের সরকারী কার্যালয় রয়েছে।যেখানে জনগনের জন্য একটি নাম্বার উন্মুক্ত করা হয়েছে।নাম্বারটিতে যে কেউ ফোন দিয়ে বলতে পারবে তার আশেপাশে পোকামাকড় রয়েছে, আর সাথে সাথে সেখানে সরকারী কর্মী চলে আসবে আর সব পরিষ্কার করবে।











