আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেই প্রকাশ হয়েছিল মহাকাশের শেষ সীমানা কোন পর্যন্ত!

0

 

মহাকাশের শেষ ঠিকানা


হাই বন্ধুরা কেমন আছেন?আসা করি ভালো!

তো আজকে আপনাদেরকে বলতে চলেছি মহাকাশ সম্পর্কে।আজকে বলবো বিজ্ঞানের ও পবিত্র আল-কুরআনের আলোকে।কেননা সৃষ্টি জগতের সুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবকিছুই কুরআন শরিফে বর্ননা করা হয়েছে।আর বিজ্ঞানিরাও কুরআনের ভেতরের গুলো নিয়েই গবেষনা করতে পেরেছে।আজ পর্যন্ত এমন কোন বিজ্ঞানি এমন কোন কিছু আবিষ্কার করতে পারেনি যেটা কুরআনে নেই।সুতরাং আল-কুরআনে এখনও হাজারো রহস্য আছে যেগুলো বিজ্ঞানিরাও কোন কোল কিনারা খুজে পায়নি।যেমন মহাকাশের সবকিছুই কুরআনে বর্ননা করা রয়েছে।কিন্তু বিজ্ঞানিরা মহাকাসের সুরু কোথায় বা শেষ কোথায় কিছুই বলতে পারে না ।মহাকাসে কি আছে না আছে তাও বলতে পারে না।বিজ্ঞানিরা সুধু বলতে পারে মহাকাশ অনেক বড়।


বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় সংস্থা নাসা আজ পর্যন্ত মহাকাশ সম্পর্কে যা কিছু জানতে পেরেছে তা থেকে মহাকাশ সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য মেলেনি।তবে আল-কোরআনে মহাকাশ সম্পর্কে সবকিছুই বলা হয়েছে।তাই আমি আল কোরআনের আলোকে মহাকাশ সম্পর্কে বলবো।


আমি যেহেতু কুরআন পরে পরে ব্যাখা করতে পারি না বা নিজে বুজি না।সেহেতু যারা কুরআন বোজে এবং ব্যাখা করেছে তাদের থেকে পাওয়া কিছু তথ্যের ভিক্তিতে আজকে লিখবো।আমার লেখায় যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে দয়াকরে সংসোধন করে দিবেন।তো চলুন সুরু করা যাক


মহা কাশের শ্রেনি বিভাগ


আমরা জানি মহাকাশ ৭টি । তা হলোঃ


১। প্রথম মহাকাশ


আমরা জানি আমাদের পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৃথিবী।বিজ্ঞানিরা বলে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৃথিবীর সীমানা এবং মহাকাশের সুরু।কিন্তু কোর আন বলে ভিন্ন কথা।কোরআন ও হাদিসের ব্যাখ্যা অনুযায়ি ১৬০ কিলোমিটার বা আমরা যতদূর দেখতে পাই তার উপর থেকে ১ম মহাকাশের মহাশূন্য সুরু।এই মহা সূন্যেই রয়েছে বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্র তারকা ইত্যাদি।যার কোন শেষ খুজে পায়নি বিজ্ঞানিরা সেটাই হলো ১ম মহাকাশের মহাশূন্য।এই মহাশূন্যর পরের অংশ থেকে সুরু হয়েছে ১ম মহাকাশ। মহাকাশের সুরু বলা যায় ১ম মহাকাশের মহাশূন্যকে।


আরও পরুন 


10,000-15,000 টাকায় সেরা ১০ টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল 2021


20,000-25,000 টাকায় সেরা ১০ টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল 2021


অনলাইনে ছবি বিক্রি করে টাকা আয় করুন 2021 (A-Z) সম্পূর্ন, বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে সবকিছু বিস্তারিত ভাবে জানুন


খুব গুরুত্ব পূর্ন ১৫ টি এন্ড্রয়েড অ্যাপ-যে অ্যাপ গুলো প্রায় সবারিই প্রয়োজন হয়। 


Android Tips.অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের গুরুত্বপূর্ন ২০টি টিপস। 


অনলাইনে ইনকাম ২০২১ : অনলাইনে টাকা আয় করার ১০০% সঠিক উপায়


২। দ্বিতীয় মহাকাশ


প্রথম মহাকাশের পর থেকেই দ্বিতীয় মহাকাশের মহাশূন্য সুরু।এবং দ্বিতীয় মহাশূন্যের পর থেকে দ্বিতীয় মহাকাশের সুরু ।প্রথম মহাকাশের তুলনায় লক্ষ গুন বড় দ্বিততীয় মহাকাশ।উদাহরনসরুপঃ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাহারা মরুভূমিতে যদি একটা আংটি রাখা হয়।তবে আংটির তুলনায় মরুভূমি যত বড়, প্রথম মহাকাশের তুলনায়  দ্বিততীয় মহাকাশ তত বড়।


এভাবে দ্বিতীয় মহাকাশের চেয়ে তিত্বীয় মহাকাশ লক্ষ গুন বড়।এরকম ভাবেই ত্বিতীয় মহাকাশের তুলনায় চতুর্থ মহাকাশ, চতুর্থ  মহাকাশের তুলনায় প‌‌ঞ্চ‌‍‍‍‍‌‌ম  মহাকাশ, প‌‌ঞ্চ‌‍‍‍‍‌‌ম  মহাকাশের তুলনায় ষষ্ঠ মহাকাশ এবং ষষ্ঠ মহাকাশের তুলনায় সপ্তম মহাকাশ।লক্ষ গুনে বড়।



এই সাতটি মহাকাশের পর আল্লাহর আরশ। সুতরাং ৭ম মহাকাশি মহকাশের শেষ সিমানা।এবং ১ম মহাকাশের  মহাশূন্য থেকে মহাকাশের  সুরু।এই ১ম মহাকাশের মহাশূন্যেই রয়েছে গ্রহ, উপগ্রহ , নক্ষত্র, তারা, ইত্যাদি।এখানেই রয়েছে আমাদের পৃথিবী।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)