অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপী এবং বেগুনি পানির হ্রদ রয়েছে,কুস্তিগীররা শিশুদের কাঁদাতে পারলে, সেটা শিশুর সৌভাগ্য,ইঁদুর ধরার যে ফাদ 155 বছর পরও ইঁদুর ধরতে সক্ষম,মৃত্যু দন্ড দিতে বৈদ্যুতিক চেয়ারের মাধ্যমে সক দেওয়া হয়,চা ব্যাগ একটি দুর্ঘটনাবসত আবিষ্কৃত হয়ে যায়।এরকম রহস্যময় আজব কিছু সত্য তথ্য সম্পর্কে জানতে সম্পূর্ন পোস্টটি পরুন।
১। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপী এবং বেগুনি পানির হ্রদ রয়েছে।
গোলাপী হ্রদ
ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে অবস্থিত মিডল আইল্যান্ডের কাছে একটি হিলিয়ার নামক লেক রয়েছে।হ্রদটি গোলাপী রঙের পানির জন্য বিখ্যাত।হ্রদটিতে একধরনের ডুনালিয়েলা স্যালিনার নামক শৈবাল রয়েছে।এই শৈবাল এবং হ্রদটিতে থাকা অতিরিক্ত লবণের কারনে,এ দুটির সমন্বয়ে পানির রং গোলাপী আকার ধারন করে।তবে হ্রদটিতে উচ্চ লবণের মাত্রা থাকা সত্ত্বেও সাঁতার কাটা নিরাপদ।
বেগুনি হ্রদ
অস্ট্রেলিয়ায় বেগুনি পানির একটি অদ্ভুত হ্রদ রয়েছে।তবে হ্রদটির পানির কালার সব সময় বেগনি থাকে না।সত্যি কথা বলতে হ্রদটির কোনো কালারি নেই, একদম সচ্ছ।তার মানে সেখান কার আকাশ যখন যে কালার থাকে পানিও সেই কালার থাকে।(I'm not sure it's 100% true)
২। কুস্তিগীররা শিশুদের কাঁদাতে পারলে, সেটা শিশুর সৌভাগ্য
যদিও বেশিরভাগ পিতামাতারা তাদের বাচ্চাদের কান্না থেকে বিরত রাখতে চেস্টা করেন।কিন্তু জাপানে সবসময় তা হয় না। কারণ এটি একটি 400 বছরের পুরানো জাপানি ঐতিহ্য যে যদি একজন সুমো কুস্তিগীর কোনো শিশুকে কাঁদাতে পারে, তাহলে শিশুটি সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন করবে। একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের সময়, পিতামাতারা তাদের শিশুদেরকে সুমো কুস্তিগীরদের হাতে তুলে দেন,আর তারা শিশুটিকে নানা ভাবে কাঁদানোর চেস্টা করে।আর এতে যে শিশু কাঁদে সে সৌভাগ্যবান এমনি বিশ্বাস জাপানীদের।
৩। ইঁদুর ধরার যে ফাদ 155 বছর পরও ইঁদুর ধরতে সক্ষম।
1800-এর দশকের মাঝামাঝি, উদ্ভাবক কলিন পুলিঙ্গার একটি মাউসট্র্যাপ(ইঁদুরধরার ফাদ) আবিষ্কার করেন। এবং তিনি বলেন, " ফাদটি সারাজীবন স্থায়ী হবে।এটা কখনো নষ্ট হবে না।এরপর ফাদটি অনেক ব্যবহার হয়েছিল।এবং একসময় ফাদটি ইংল্যান্ডের মিউজিয়াম অফ ইংলিশ রুরাল লাইফ সংরক্ষন করে রাখা হয়। 2016 সালে একটি ইঁদুর তার বাসা তৈরির উদ্যেশ্যে ফাদটি ডুকে আর ফাদের স্প্রিং ইদুরের কারনেই চালু হয় এবং পরে সেটা পরে গিয়ে ইদুরটা ভিতে আটকে যায়।তবে দুঃখের বিষয়, ইঁদুরটি ফাদেই মারা যায়। ফাদটি এখনও পূর্ন একটিভ রয়েছে।যা আবৃষ্কারকের কথা মত চীরস্থী।
৪। মৃত্যু দন্ড দিতে বৈদ্যুতিক চেয়ারের মাধ্যমে সক দেওয়া হয়।
1881 সালে, ডেন্টিস্ট আলফ্রেড পি. সাউথউইক দেখলেন, একজন মাতাল ব্যক্তি একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরে স্পর্শ করার পর দ্রুত মারা যায়।এটা দেখে তার ধারনা হয় যে, আসামিকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করার চেয়ে বৈদ্যুতিক সক দিয়ে মারা আরও সহজ ও সুবিধা জনক।তাই সে একটি বৈদ্যুতিক চেয়ার তৈরি করেন।এবং 1890 সালে প্রথম চেয়ারটি ব্যবহার করা হয়েছিল।কিন্তু চেয়ারটিতে সমস্যা হওয়ায়, সেই আসামি অনেক কষ্টে ধুকে ধুকে মারা যায়।যা ছিল সত্যিই হতাসা জনক।এর পরবর্তিতে চেয়ারের সমস্যাগুলি বের করে ঠিক করা হয়।এবং কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়।যা সফল ভাবে কাজ করে।
৫। চা ব্যাগ একটি দুর্ঘটনাবসত আবিষ্কৃত হয়ে যায়
1908 সালে, নিউ ইয়র্কের চা ব্যবসায়ী টমাস সুলিভান তার কিছু গ্রাহকদের কাছে ছোট রেশমের তৈরি ব্যাগে চা পাতার নমুনা পাঠান । প্রাপকদের অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে ব্যাগগুলিসহ হয়তো ব্যবহার করা যাবে তাই তারা ব্যাগটি খালি করার পরিবর্তে পুরো ব্যাগটি চায়ের পাত্রে রেখে দেয়।
যেহেতু ব্যাগটি ছিল রেশমের , সেহেতু পানিতে দেওয়া মাত্রই চা পাতার কার্যক্রম সুরু হয়ে যায়।যা দেখে গ্রাহকরা অনেক খুশি ও অবাক হয়ে সুলিভানকে বাহবা দিতে থাকে।আর সুলীভান ব্যাপারটা বুজতে পেরে ,এর পরবর্তিতে সে এরকম ভাবে চা পাতা বিক্রি সুরু করে জনপ্রিয় হয়ে উঠে।
শেষ কথা
এরকম রহস্যময় রোমান্চিত সত্য ও কাল্পনিক গঠনা এবং আনন্দময় ও গুরুত্বপূর্ন টিপ্স সম্পর্কে পরতে নিয়মিত ভিজিট করুন jantaparba.com ওয়েবসাইটটিতে।আর হ্যা অবস্যই পোস্টটি কেমন হয়েছে সেটা জানাতে ভুলবেন না।আর আপনার যদি কোন বিষয়ে জানার ইচ্ছা থাকে বা প্রশ্ন থাকে তাহলে সেইটা কমেন্টে বলতে পারেন।আমি অবস্যই চেস্টা করবো সেই প্রশ্নটার উত্তর দিতে।আপনার যদি আমাদের ওয়েব সাইটের বিষয়ে কোন মতামত থাকে তাহলে সেটাও কমেন্টে জানাতে পারেন।
পাবলিশার,
নামঃ মোঃ তারিকুল ইসলাম আলম
ঠিকানাঃ ময়মনসিংহ,বাংলাদেশ
পেশাঃ আমি একজন শিক্ষার্থী।লেখাপরার পাশাপাশি শখের বসে মাঝে মাঝে লেখালেখি করি।





