একটি অস্ত্রের সাহায্যে পৃথিবীকে অদ্ভুদ সুন্দর ভাবে সাজায়। রূপকথার বাংলা গল্প

0

  "কাল্পনিক পৃথিবী" একটি রহস্যময় জাদুকরী কাল্পনিক মনছুয়ে যাওয়া রূপকথার বাংলা গল্প


"কাল্পনিক পৃথিবী"


প্রধান চরিত্রঃ

১। নায়কের  বাবা       : (রহমান), 

২। নায়কের মা           : (ডেনভার),

৩। ছেলে/নায়ক         : (আইলিস)।

৪। বিলেন/খলনায়ক  :  (কিলজার)

Imaginary world



আমাজন জঙ্গলের গভিরে হাসি খুশি একটা পরিবার বসবাস করতো।তারা জঙ্গলি ছিল না।তারা স্বাভাবিক জিবনজাপন করতো।পরিবারের সদস্য সংখা ছিল তিন জন।বাবা (রহমান), মা (ডেনভার), এবং এক ছেলে (আইলিস)।আইলিস ছোট থেকেই খুব হাসিখুসি এবং চালাক স্বভাবের।তাদের বাড়ির কাছাকাছি কোন মানুষ না থাকায় সে একা একাই খেলা করতো ।তার মা তাকে লেখাপড়া শিখাতো।তবে আইলিসের শিক্ষার উপকরন মোটেও মানবসভ্যতার মতো ছিল না।তার পড়ার জন্য সকল বই গুলো আইলিসের বাবা ,রহমান নিজেই লিখেছেন।যাতে বই পরে আইলিসের প্রকৃত জ্ঞ্যান সুধু অর্জন হয়।বাইরের জগতের কোনো তথ্য যেন আইলিস না শিখতে পারে।


আইলিসের বাবা জঙ্গল থেকে ফলমূল ও পশু সিকার করে খাদ্য জুগাতো।এবং তার মা সেগুলো রান্না ও পরিবেশন করতো।এভাবে তাদের জীবন ভালোই কাটছিল।আইলিস তার জীবন কে একা একাই সুন্দর করে সাজায়।আইলিস অনেক শক্তিশালী ছিল।তার বাবা তাকে কঠোর প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আইলিসকে ছোট থেকেই গরে তুলে।এমনকি তার মা ও তাকে যতটা সম্ভব প্রশিক্ষন দিয়েছিল।এভাবে দেখতে দেখতে আইলিস বড় হয়ে গেল।এখন তারা তিন জনের এক শক্তিশালী পরিবার তৈরি হয়ে গেল।


এমন সময় আইলিস জঙ্গলিদের সাথে কথা বলার সময় সুনতে পেল, তাদের এই বন ছাড়াও নাকি মানব সভ্যতা রয়েছে।সেখান কার সবকিছুই নাকি অনেক উন্নত।বড় বড় বিল্ডিংসহ নানান আধুনিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তি রয়েছে, ইত্যাদি বর্ননা সুনে আইলিস অবাক হয়ে যায়।এবং সে মনস্থির করে যে, সে সেখানে যাবে এবং সেই মানব সভ্যতা দেখবে।আইলিস বাড়িতে এসে মাকে সব বলতেই মা যায় রেগে এবং বলে তুই আর কখনো মানব সভ্যতার নাম মুখেও আনবি না।মানব সভ্যতা একটুও ভালো না।সেখানে যখন তখন মানুষে মানুষ মেরে ফেলে।এবং তারা সবসময় খারাপ কাজ করতেই থাকে।তকে এসব নিয়ে এখন ভাবতে হবে না ।মন থেকে সবকিছু মুছে ফেল ।আগামী আমাবস্যায় মানব সভ্যতার বিষয়ে সব জানতে পারবি।এখন যা, তর বাবার কাজে সাহায্য কর।


আইলিসের বাবা বললো, চলো আইলিস আমাদের এক জিনিস খুজতে হবে।তারপর বাবা, ছেলে জঙ্গলের গভীরে যায় এবং একটি "আউলাইয়" গাছ খুজে বের করে।আইলিসের বাবা তাকে বলে এটি কোন সাধারন গাছ নয়, এরকম গাছ এই বনে মাত্র তিনটি আছে।তিনটি গাছ দেখতে এক রকম না ।তাদের নামও একনা।তবে তাদের ক্ষমতা এক রকম।তারপর আইলিস ও তার বাবা গাছটির আশেপাশে অনেক চিহ্ন করে গেল।আর আইলিসের বাবা তাকে বললো, আমাবস্যার রাতে এখানে আসতে হবে।এরপর তারা চলে যায়।


আমাবস্যার রাতে তারা তিন জন সেই গাছটির কাছে যায়।কিন্ত সেখানে কোন গাছ তারা দেখতে পায় না।রহমান বলে,আমাবস্যার রাতে এই গাছটি ওধাও হয়ে যায়।এবং যেখানে গাছটির গুরা ছিল সেখান থেকে তেরো মাথার একটা সাপ ছোট আকারে বের হবে।এবং সেটা ধিরে ধিরে সেই গাছটির সমান বড় হবে।যেহেতু গাছটি অনেক বড় ছিল, তাই সাপটিও অনেক বড় হয়ে যায়।যা দেখে সবাই ভয় পেয়ে যায়।তারপর সাপটি তাদের সাথে কথা বলে।সাপটি বলে, তোমাদের তিনজনকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে, যদি সবাই সঠিক উত্তর দিতে পার তাহলে তোমাদের  উদ্যেশ্য পরুন হবে।আর যদি তিন জনের একজনও ব্যর্থ হয়, তবে সবাইকে মরতে হবে।


যেহেতু তারা তিনজনেই ছিল প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ও অনেক বুদ্ধিমান।তাই তারা সাপের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারে।তখন সাপটি বলে, তোমরা কি চাও? রহমান বলে, আপনার মাথার মনি ও আপনার নিচে মাটির গভীরে থাকা সেই যাদুকরী অস্ত্র।সাপটি বললো ঠিক আছে, তবে দ্রুতই আমার মনি আমাকে ফেরত দিতে হবে।রহমান বললো ঠিক আছে।রহমান মনির সাহায্যে মাটির গভীরে থাকা সেই যাদুকরী অস্ত্র উদ্ধার করে।তারপর মনির সাহায্যে অস্ত্রটাকে একটিভ করে, মনি সাপকে ফেরত দিয়ে, তারা বাড়িতে চলে যায়।


রহমান আইলিসকে বললো, সুনো বাবা এখন সময় হয়েছে তোমাকে সবকিছু খুলে বলার।হ্যা বাবা বলো।সুনো তবে, আমরা যেখানে বাস করি এই জগৎ ছাড়াও মানব সভ্যতা নামক এক বসতি রয়েছে।সেখানে রয়েছে সুন্দর এক জগৎ।সেখানে সবাই মিলে মিশে বসবাস করে।মানবসভ্যতা অনেক উন্নত, সেখানে সব অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি রয়েছে।যার সাহায্যে ১০ জন লোক একদিনে যে কাজ করতে পারে,ততটুকু কাজ প্রযুক্তি ব্যাবহার করে ১ জনেই এক দিনে ঐ কাজ সম্পন্ন করতে পারে।তারা হাজার কিলোমিটার  খুব কম সময়েই পারি দিতে পারে।তাদের কাছে রকেট রয়েছে, যা সর্বোচ্চ গতিশীল।এটাতে তারা চাদের দেশে পর্যন্ত গিয়েছিল।যদিও মনে হয় তারা খুব সুখি, কিন্তু সেটা সত্যি নয়।সবকিছু উন্নতির সাথে সাথে দূর্নিতিও উন্নতি হয়েছে, যার ফলে দুষ্টুু লোকদের অত্যাচারও বেড়েছে।তাই শান্তির দেখা মেলা ভার।


আমি এবং তোমার মা সেই মানবসভ্যতার বাসিন্দা।আমরা মানবসভ্যতা ছারতে বাধ্য হই যার ফলে, তোমাকে নিয়ে এই আমাজনের গভিরে বসবাস করি।


আমার জন্ম বাংলাদেশ নামক এক দেশে।সেখানেই আমার সৈসব কৈশর কাটে।ছোট থেকেই আমি ছিলাম শক্তিশালী,সাহসী, বদ্ধিমান, ও সৎসাহসী।সবার উপকারের কথাই সবসময় ভাবতাম।এভাবে আমার সৈসব কৈশর কেটে যখন যৌবনে পদার্পন করলাম, তখনি সুরু হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমার সংগ্রাম।এভাবে তিন বছর যাবৎ আমি সবার সব সমস্যা সমাধান করতাম।


কিন্তু একদিন, কিলজার নামক একজন  লোক(যার ছিল অলৌকিক ক্ষমতা ও প্রচুর  ধন সম্পদ।তবে সে ছিল খুবই খারাপ প্রকৃতির), এক রাত্রে ৩৩ জন অসহায় গরিব কুমারী নারীকে বলি দিয়ে তাদের রক্ত দিয়ে একটি অস্ত্র তৈরি করার উদ্যেশ্যে মাটিতে গর্তকরে, সেটা রক্ত দিয়ে পূর্ন করে, তাতে সব মূল্যবান পদার্থের সংমিশ্রনে তৈরি একটি তলোয়ার রক্তে ডুবায়ে উপরে ৩৩ জন নারীর দেহ টুকরো টুকরো  করে কেটে গর্তের উপরে দিয়ে মাটি চাপা দেয়।কিলজারের বিশ্যাস এই উপায়ে অনেক শক্তিশালী একটি অস্ত্র তৈরি করা যাবে(যার ক্ষমতা দিয়ে পুরো বিশ্বের সমস্ত ক্ষমতা পাওয়া যাবে।আর সে পুরো বিশ্বের রাজা হয়ে যাবে।মাটি চাপা দেওয়া সেই অস্ত্রটি ২৭ বছর পর সম্পূর্ন ক্ষমতা লাভ করবে।তবে এই ২৭ বছরের মধ্যে ১ম ২৬ বছর , বছরের সুরুতে একটি কুমারী মেয়ে ও ছেলের একসাথে ঐ স্থানে বলি দিতে হবে ।এবং ২৭ বছর পূর্ন হলে মোট ১৩১১ জন কুরী নারীকে বলি দিতে হবে।তার মধ্যে ৭১১ জনকে বলি দিয়ে অস্ত্রটি মাটি থেকে তুলতে হবে।তারপর অস্ত্রকে একটিভ বা চালু করতে, অস্ত্রটি দিয়ে ৬০০ জনকে বলি দিতে হবে।এই ৬০০ শত বলি যে দিবে অস্ত্রটি সুধু মাত্র সে-ই ব্যবহার করতে পারবে।


অনেক চেষ্টায় এইটুকু তথ্য জানতে পারলাম।এবং আমি গভীর ভাবনায় পরে গেলাম, কিভাবে তাকে আটকানো যায়।তার এই অস্ত্র তৈরির কলা কৌশল নিয়ে জ্ঞ্যানি জন ও অলৌকিক ক্ষমতা ধারী মানুষদের সাথে আলোচনা করলাম।তারা বললো অস্ত্র তৈরির উপায়টা সঠিক।তার সাথে বললো, এই অস্ত্র তৈরি করে ফেললে সব ধংস হয়ে যাবে।তাকে এই কাজ থেকে আটকাতেই হবে।


এই কথা সুনে আমি উপায় খুজতে সুরু করলাম।আমার একার পক্ষে তার সাথে লরাই করা একে বারেই সম্ভব না।কারন সে ছিল অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী।ভাবতে ভাবতে একটা উপায় খুজে পেলাম।আর তখনি কিলজার আমার সামনে এসে হাজির, সে বললো তুমি আমাকে বাধা প্রধান করতে পারো , আর তাই তুমাকে আমি এমন কোথাও পাঠিয়ে দিচ্ছি যেখান থেকে আর ফিরতে পারবে না।বলেই সাথে সাথেই আমাকে অলৌকিক ভাবে চক্ষের পলোকে আটলান্টিক সমুদ্রের মাঝে ফেলে দিল।সৌভাগ্য বসত  সমুদ্রে একটি বড় বাক্সের মতো দেখতে পেয়ে সেটাতে চরে বসলাম।তারপর দেখলাম বক্সটি অটোমেটিক চলতে সুরু করে, অতি দ্রুতই গতি বাড়তে থাকলো।আমি শক্ত করে বাক্সে ধরে থাকলাম।কিছু ক্ষনের মধ্যেই বাক্সটির স্পিড এত বেড়ে গেল যে, আমি আর চখে কিছু দেখতে পেলাম না।এমন কি আমি জ্ঞ্যান হারি ফেললাম।


চোখ খুলতেই দেখি আমি একটি জেলেদের জাহাজে।জেলেরা বললো তুমি একটি যাদুকরি মাছের পিঠে ছিলে।যে তুমাকে প্রায় খেয়ে ফেলতে যাচ্ছিলো, এমন সময় আমরা তুমাকে উদ্ধার করি।আমি বললাম,  না , আমিতো একটি বাক্সের উপর ছিলাম,যে নিজে থেকে চলতে পারে।জেলেরা বললো ঐ টাই যাদুকরি মাছ।যে কিনা  বহুরূপি।সে সিকার ধরার জন্য যেকোন রূপ ধরতে পারে ।আর সিকারকে নিয়ে অনেক স্পিডে দৌড়ায়।যারফলে সিকার জ্ঞ্যান হাড়ায়, আর তখন মাছটি তার সিকারকে খায়।


তারপর জেলেদের সাহায্যে সমুদ্র থেকে চলে যাইলাম দক্ষিন আমেরিকা।সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর সেনাবাহীনির উচ্চ পদস্থ একজনকে মৃত্যুর হাত থেকে বাচাই।যারফলে সে আমাকে সেনা অফিসার পদে নিয়োগ দেন।আমি চলে যাই দুই বছরের দীর্ঘ মেয়াদী কঠুর ট্রেনিংয়ে।ট্রেনিংয়ে থাকা কালে  ট্রেনিং দিতে আসা আমার সম পদস্থ এক মেয়েকে দেখে তার প্রেমে পরি।মেয়েটাও আমার প্রেমে পরে।মেয়েটা আর কেউ না, তোমার মা।ট্রেনিংয়ে ২০০ জনের মধ্যে আমি হই প্রথম।আর তোমার মা হয় দ্বীতীয়।


ট্রেনিং শেষে তোমার মার সাথে আমার বিয়ে হয়।বিয়ের দুই বছর পর তুমি জন্মগ্রহন করেছিলে।একদিন একজন অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী এক জ্ঞ্যানি লোক আসে।সে বলে, আপনার সম্পর্কে আমি সব জানি।কিলজারের ঐ অস্ত্র তৈরির কার্যক্রম কেউ থামাতে পারবে না।তবে তার অস্ত্রসহ তাকে ধংস একজন লোকই একটি অস্ত্রের মাধ্যমে করতে পারবে।আর সে হলো আপনার পুত্র।তবে আপনার পুত্রের ক্ষমতা একই হারে বাড়তে হলে তাকে মানুষ থেকে দুরে রাখতে হবে।এক্ষেত্রে আপনি ও আপনার স্ত্রী কাছে থাকতে পারবেন।এরপর তিনি আমাকে একটি বই দিয়ে বললেন, এটি জাদুর বই, এটা অনুসরন করতে থাকুন।

এই কথা সুনে, আমি ও তোমার মা তোমাকে নিয়ে আমাজন বনে চলে আসি।আর তোমাকে মানবজাতি থেকে দূরে রাখি।


এখন বইয়ের কথা অনুসরন করে আমরা অস্ত্রটি উদ্ধার করেছি।এরপর বইটিতে দেখানো পথ অনুসরন করে কিলজারকে আটকাতে হবে।কিলজার তার অস্ত্র তৈরি সুরু করার ২৭ বছর পর অস্ত্রটি প্রস্তুত হওয়ার কথা।সেই হিসাব অনুযায়ী ২৭ বছর পূর্ন হতে আর মাত্র ১৩ দিন রয়েছে।আমাদেরকে এই ১৩ দিনের মধ্যেই সব কিছু পস্তুত করে কিলজারের আস্তানায় পৌছাতে হবে।


তারপর তারা তিন জন মিলে উদ্ধার করা অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে পৌছিল।এবং তাদের কাছে থাকা বইয়ের শর্তমতে কিলজারের অস্ত্র উদ্ধার করার কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা বা একদিন পর কিলজারকে আক্রমন করতে হবে।২৭ বছরপূর্ন হওয়ার দিন রাত ১২:০০ টায় কিলজার তার অস্ত্র তুলতে ৭১১ জন কুমারী নারীকে বলি দিয়ে অস্ত্রটি মাটি থেকে তুললো।তারপর অস্ত্রটি দিয়ে আরো ৬০০ জন কুমারী নারীকে বলি দিল।আর সাথে সাথেই অস্ত্রটি আলোক উজ্জল হয়ে একটিভ হলো।অস্ত্রটি  পরিক্ষা করতে কিলজার তারই একজন সহকারীর দিকে অস্ত্রটি বাড়িয়ে বললো ধংশ কর! সাথে সাথেই লোকটি  মারা যেয়ে ধুলিসসাত হয়ে উরে গেল।এটা দেখে বাকি সহকারীরা পালিয়ে গেল।


যেহেতু কিলজার এখন সবকিছু আগাম দেখতে পায়,তাই সে জনতে পারলো তাকে হত্যা করতে আইলিস তার বাবা-মাকে নিয়ে চলে আসছে।যেহেতু ২৪ ঘন্টার আগে তাকে কেউ হত্যা করতে পারবে না, তাই সে চাইছিল ২৪ ঘন্টার আগেই এমন কিছু করতে যেন, আইলিস তার কাছে পৌছাতে না পারে।তাই কিলজার অস্ত্রটিকে আদেশ করলো, এবিশ্বের সব বড় বড় শয়তান আর জীনদের কে আমার সামনে হাজির কর! আদেশ দেওয়ার সাথে সাথেই এবিশ্বের সব বড় বড় শয়তান আর জীন হাজির হয়ে তারা কিলজারকে বললো, আমাদের মালিক বলুন আপনার জন্য আমরা কি করতে পারি।তোমরা যাও এবং তোমাদের সকল সহকারীকেও নিয়ে যাও, এ বিশ্বের সকল দরিদ্র অসহায় ,গরিব ও যার মাসিক বেতন (১০০,০০০) এক লাখের কম এবং যাদের মোট সম্পদ (১০০,০০,০০০) এক কোটির কম তাদের কে হত্যা করে তাদের সকল ধন সম্পদ কেরে নিয়া আসো।আর তাদের সব জমি ও বাড়ি-গাড়ি সবকিছু ধনীদের কাছে জোর করে হলেও বিক্রি করে টাকা/মুদ্রা নিয়া আসো।আর বিশ্বের সকল মূল্যবান বস্তু (যেমনঃ হিরা, মুক্তা, ইত্যাদি) নিয়ে আসো।এবং  ঐ  সব মূল্যবান বস্তু দিয়ে আমার জন্য রাজ প্রাসাদ তৈরি কর।রাজ প্রাসাদটি এমন যায়গায় তৈরি কর যেন সারা পৃথিবী শ্বাসন করা যায়।এই সকল কাজ গুলো সকল শয়তান, জিন, ও আমার তৈরি ১০০কোটি পাওয়ারফুল রবোটকে নিয়ে আগামী ২৩ ঘন্টার মধ্যে করতে হবে না হলে তোমাদের সবাইকে হত্যা করবো!


কিলজার জীন ও শয়তানদেরকে  বললো, আমার ক্ষমতা সম্পর্কে চলো তুমাদেরকে একটু ধারনা দেই, তোমাদের মাঝে যে সবচেয়ে শক্তিশালী সে আমার সামনে আসো।সবচেয়ে শক্তিশালী শয়তান তার সামনে আসলো।আর কিলজার তার অস্ত্র দিয়ে শয়তানটাকে আঘাত করতেই সে ধুলিসসাত হয়ে যাইলো!যা দেখে সবাই ভয়ে কাপতে লাগলো।তখন কিলজার ধুলিসসাত সেই শক্তিশালী শয়তানকে আবার জীবন্ত করলো!এবং বললো যাও দ্রুত আমার হুকুম পালন কর।


কিলজার অনেকটা নিশ্চিৎ হয়ে বসে  রইলো যে, আইলিস তার রাজপ্রাসাদে ডুকতেও পারবে না,তাকে হত্যাও করতে পারবে না।


সব জীন, শয়তান কাজে লেগে পড়লো, আর ৭ ঘন্টার মধ্যেই সকল গরীব লোকদেরকে মেরে সব ধন নিয়ে আসলো।এরপর পৃথিবীর সবচেয়ে উচু পর্বত মাউন্ট এভারেস্টের উপর কিলজারের বাড়ি তৈরি করার সিদ্ধান্ত হলো।পৃথিবীর সব পাথরের তৈরি বড় বড় পাহাড় কেটে এনে মাউন্ট এভারেস্টের ব্যাসার্ধ ১০গুন বৃদ্ধি করা হলো।এবং মাউন্ট এভারেস্টের উপরের মাথা  অনেক পাশ করা হলো।মাউন্ট এভারেস্টের নিচের গুরা দিয়ে ২০ কিলোমিটার উচু করে পিলার/দেওয়াল/বেড়া দেওয়া হলো।দেওয়ালটি ছিল পৃথীবির শক্তিশালী ধাতু দিয়ে তৈরি।মাউন্ট এভারেস্টের উপরে একটি বিড়াট বড় ১০তলা বিশিষ্ট প্রাসাদ তৈরি করা হলো।প্রাসাদটির সবচেয়ে বাইরের দিকের দেয়াল গুলো ও দরজাগুলো তৈরি করা হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ধাতু দিয়ে।এবং ভিতরের বড় বড় দেওয়াল গুলো সোনা দিয়ে তৈরি করা হলো।এবং ছোট রোম গুলো হিরা মুক্তা ইত্যাদি পদার্থ দিয়ে সাজিয়ে তৈরি করা হলো।এবং বিছানা তৈরি করা হলো বিশ্বের সবচেয়ে নরম ফাইবার তুলা দিয়ে।কিলজারের চলাচলের জন্য অত্যাধুনিক এক যান তৈরি করা হলো, যার ভিতরে বসে যেখানে ইচ্ছা এবং যত দ্রুত ইচ্ছা যাওয়া সম্ভব।এই সব কাজ শেষে কিলজারের বাড়ি তৈরি করতে ১৯ ঘন্টা সময় লাগলো।বাকি রইলো ৫ ঘন্টা।তারপর কিলজেরের রবোট বাহীনি দ্বারা তার পুরো রাজ্যকে গার্ড দেওয়ার ব্যাবস্থা করলো।তারপর সবচেয়ে শক্তিশালী শয়তান ও জিনদের কে আদেশ করলো ,আইলিস ও তার বাবা-মাকে হত্যা করে মাথাটা আস্ত রেখে তাদের লাশ কেটে টুকরো করে  আমার প্রাসাদে নিয়া আসো।আর বাকি জিনদের সকল মূল্যবান সম্পদ ও প্রয়োজনীয় দ্রব্য আনতে পাঠানো হল।


শক্তিশালী শয়তান ও জিনরা যেয়ে আইলিস ও তার বাবা-মা কে হত্যা করে ফেললো।এবং আইলিসের অস্ত্রটা ধংস করে দিল।তারপর তাদের তিন জনকে টুকরো টুকরো করে কেটে, মাথাটা আস্ত রেখে কিলজারের কাছে নিয়ে যাওয়া  হলো।কিলাজর তাদের টুুকরো করা লাশ আগুনে পুরিয়ে ছাই গুলো একটা বড় ড্রাম ভর্তি করে, পৃথিবীর বাইরে পাঠিয়ে দিল।এবার কিলজার নিশ্চন্ত হয়ে  ২৪ ঘন্টা ওভার করলো।


২৭ ঘন্টা পর তার তৈরি তিনটি রোবট তার সামনে আসলো।আর তাদের রুপ পরিবর্তন করলো।এই তিনটি রোবটই ছিল আইলিস ও তার বাবা-মা (যখন গরিব লোকদের মেরে ধনসম্পদ আনতে কিলজারের রবোট আইলিসের কাছে যায়, তখনি আইলিস তার অস্ত্রের সাহায্যে ঐ তিনটি রোবটকে তাদের মত রূপ দিয়ে, নিজেরা রবোটের মত রূপ ধারন করে)।এবার তারা কিলজারকে বন্ধি করলো আর বললো, কিলজার তুই যেসব লোক কে মেরে ছস সেই লোকগুলো সহ ঐ কুমারী নারীগুলোসহ সবাইকে ফেরত আন।এবং পৃথীবির সকল মানুষকে এখানে আন।আর পৃথীবির সকল ঘর-বাড়ি কলকারখানা ভেঙ্গে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি করে পৃথীবির সকল লোকদের সমান ভাগে ভাগ করে দে।তবে প্রত্যেকটা মানুষের মোট সম্পদের পরিমান ৫০০ কোটির বেশি হতে হবে।আর এই কাজ গুলো আগামী ২৪ ঘন্টার ভিতরে শেষ করতে হবে, তা না হলে তকে হত্যা করা হবে।আর এই প্রাসাদে থাকা পৃথিবীর সব লোকদের সকল চাহিদা পুরনের ব্যাবস্থা কর।এবং পৃথিবীর সমস্ত দূষিত পদার্থ দূর কর।যেখানে যেই গাছ প্রয়োজন সেখানে সেটা লাগাও।এবং বাড়ি গুলো সবুজে সবুজ ময় কর ফল-ফলাদি, সবজি,ও অন্যান্য গাছপালা দিয়ে।এবং প্রয়োজন মত ফুল ও ফুলগাছ দিয়ে বাড়ি সাজা।  এভাবে একটি সুন্দর ও সবুজ পৃথিবী তৈরি কর।আর সকল রাস্তা গুলো মাটির নিচ দিয়ে তৈরি কর।এবং পৃথিবী থেকে অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ যেন দূর করা যায় সেই ব্যবস্থ কর।তবে তোমার তৈরি রাজ প্রাসাদ যেরকম আছে সেরকমই রাখো।আর পর্যটকরা যেন প্রাসাদটি গুরে গুরে দেখতে পারে সেই ব্যবস্থা কর।পরবর্তী ২৪ ঘন্টার ভিতরেই সবকিছু তৈরি করা হলো।এবং সবাইকে তার নিজস্ব জন্ম ভূমিতে তৈরি একটি বাড়ি/ঘরে রেখে আসা হলো।এবং কিলজারের তৈরি সকল রবোটকে মানুষের সেবায় নিযুক্ত করা হলো।এবং কিছু রবোটকে নির্দেশ দেওয়া হলো, পৃথীবিতে কোনো মানুষের মোট সম্পদের পরিমান ৫০০ কোটির নিচে যেন না নামে এবং সকল প্রকার দূর্নীতি ও খারাবি কেউ করলে তার হাত কেটে দিবে।দ্বিতীয় বার একই ভুল করলে পা কেটে দিবে।আর তৃতীয় বার একই ভুল করলে তাকে হত্যা করবে।এর পর কিলজারের তৈরি প্রাসাদটির একটি বিশেষ রুমে অনেক শক্তিশালী সিকিউরিটির ব্যাবস্থা করে সেখানে কিলজারের অস্ত্রটি রাখা হলো।এবং আইলিসের অস্ত্রটিকে পাহাড়াদার হিসেবে নিযুক্ত করা হল।তারপর ঐ রুমটির চার দিকে এক কিলোমিটার প্রসস্ত করে সবচেয়ে শক্তিশালী পদার্থ দিয়ে ঘেরা হলো।এবং বাইরে ও ভিতরে মোট ১০ কোটি রবোটকে পাহারাদার নিযুক্ত করা হলো।তারপর কিলজারকে তার তৈরি যান সহ তাকে মুক্ত করা হলো।এবং তার সাহায্য সহযোগীতা করতে ও সকল প্রকার খারাপ কাজ থেকে তাকে আটকাতে  তার জন্য মোট ১ কোটি রবোট নিযুক্ত করা হলো।এভাবে পৃথিবী সুখে ভরে উঠলো।



Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)