![]() |
| যে কোন কালো দাগ দূর করুন |
অনেকেরই লজ্জাস্থান বা রানের চিপায় কালো দাগ থাকে, কিন্তু কেন?লজ্জাস্থান বা রানের চিপায় কালো দাগ দূর করার উপায় কি? এটা কি বংশগত?নাকি জাতগত?নাকি আবহাওয়া বা দেশগত? ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তরসহ লজ্জাস্থান বা রানের চিপায় কালো দাগ দূর করার কথা বলবো আজ।আমি ১০০% নিশ্চত হয়ে বলতে পারি এই কালো দাগ দূর করতে পারবেন।সেটা কিভাবে? , চলুন জেনে নেই।
আপনি সম্পূর্ন লেখা না পড়লে কালো দাগ হয়তো দূর করতে পারবেন না।কেন না আজকের প্রতিটি স্টেপ ই গুরুত্বপূর্ন।তাই সম্পূর্ন পরুন।
১। প্রথমে লজ্জাস্থান বা রানের চিপায় কালো দাগ কেন হয়? তা জানতে হবে।
রানের চিপায় কালো দাগ হওয়ার প্রধান কারন একপ্রকার ছত্রাক।যা অপরিষ্কার ও ময়লা জমার কারনে সৃষ্টি হয়।এছাড়া এই ছত্রাক পরিবারের একজনের থাকলেও তা সবার ছড়াতে পারে।এমনকি পাশের অন্য ঘরের কারও থাকলে তা আপনার মাঝে ছড়াতে পারে।এ কারনেই অনেকে হাজার চেষ্টার পরও কালো দাগ দূর করতে পারে না।যদি সাময়িক ভাবে দূর হয়ও তবে আবার কালো দাগ দেখা যায়।আমাদের সরীরের চিপায়-চাপায় যত্ব কম নেওয়া হয়, এছাড়া সেখানে সহজেই ময়লা জমে।আমরা অলসতা করে পরিষ্কার রাখিনা।আর ময়লা জমার ফলে সেখানে , নানা রকম ছত্রাক সৃষ্টি হয়।যার ফলে চিপায় চাপায় কালো দাগ পরে।তাছাড়া চিপায় চাপায় অনেক বড় রোগ বা স্থায়ী চর্মরোগও হতে পারে।এমনকি সেখান থেকে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পাড়ে।তাই সাবধান!কোনো ক্রমেই ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না।
২। লজ্জাস্থান বা রানের চিপায় কালো দাগ দূর করার উপায়।
লজ্জাস্থান বা রানের চিপায় কালো দাগ দূর করার দুটি উপায় রয়েছে।
ক। ডাক্টারি চিকিৎসা
খ। নিয়ম কানুন মেনে
এখানে দুইটা উপায়ে যে কোন একটা দিয়ে সহজে ও পুরোপুরি ভালো হয় না।এ জন্য আমি রিকোমেন্ট করবো আপনি দুইটা একসাথেই করুন।
ক। ডাক্টারি চিকিৎসা
ডাক্টারি চিকিৎসা মূলত ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেগ ঔষধ গ্রহন করে চিকিৎসা করা।আপনারা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন।এবং সেই মোতাবেগ ঔষধ গ্রহন করুন।এটা সবচেয়ে নিরাপদ ও ভালো।
এছাড়া আমার জানা মতে বহুল ব্যাবহৃত একটি ক্রিম, " 'Pevitin' Cream" পেভিটিন ক্রীম , যা ১০০% কার্যকর ও জনপ্রিয় ক্রীম।আমি অনেকটা নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি এটা অনেক কাজে দিবে।
পেভিটিন ক্রীম এর ডিটেইলস
![]() |
| Pevitin Cream |
নির্দেশনাঃ ছত্রাকজনিত প্রদাহযুক্ত সংক্রমনে নির্দেশিত।
মূল্যঃ ৳৫৫
ব্যবহারবিধিঃ আক্রান্ত স্থানে দিনে দুইবার করে ১৪ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করুন।এবং সুধু মাত্র দেহের বহিরাংশে ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত।
ক্রিমটা ডাক্তারের দুকানে খুজলেই পেয়ে যাবেন।
খ। নিয়ম কানুন মেনে
কিছু নিয়ম-কানুন আছে যেগুলো মেনে চললে আপনি সকলপ্রকার কাল দাগ দূর করতে পারবেন।যেমনঃ সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থেকে।সরীরের চিপা-চাপা অংশগুলো সব সময় পরিষ্কার রাখা।প্রতিদিন গোসলের সময় ভালো করে পরিষ্কার করা।এছাড়া সেখানে যেন ময়লা আটকিতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখা ইত্যাদি।নিয়ম-কানুন মেনে এই কালোদাগ দূর করাটা একটু কষ্টসাধ্য এবং সময় সাপেক্ষ।তাই..
উপরে বর্নিত দুটো উপায় একসাথে মানলে অনেক দ্রুত কালোদাগ দূর করতে পারবেন।এক্ষেত্রে মোটামুটি ভালো হলেই এই দুটো নিয়ম ও ঔষধ ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না।একদম ভালো হয়ে গেছে মনে হলেও, তার পরে অন্তত এক সপ্তাহ ঔষধ ও নিয়ম মেনে চলুন।তানাহলে, রোগটি আবার হতে পারে।
এত কিছুর পরও অনেকের কালো দাগ দূর হলেও সরীরের অন্য অংশের মত হয় না।একটু কালো থেকে যায়।এর কারন সরীরে অতিরিক্ত চর্বি।মানুষের সরীরের যে অংশ গুলো ভাজ হয়ে থাকে, সেখানে হালকা একটু কালো দেখা যায়।তাই পরিপূর্ন কালো দূর করতে সেখানে চর্বি মুক্ত করতে হবে, যেন সেখানে সরীর ভাজ হলেও চামরা বেশি একটা ভাজ না হয়।এর জন্য বিভিন্ন ব্যয়াম করতে পারেন।


