
পরিবেশ দূষন রোধে বাই-সাইকেলের ব্যাবহার
বর্তমান বিশ্ব গ্রিনহাউস গ্যাসের কারনে মারাত্বক ভবে দূষিত।এই দূষনের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে।যার সবচেয়ে বড় কারন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে যানবাহন ও বিভিন্ন কম্পানি বিশাক্ত পদার্থ এবং কার্বন-ডাইঅক্সাইড গ্যাস।যার ফলে গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।এই গ্রিনহাউস গ্যাস নিরসনের একটি উপায় হলো যানবাহনের ব্যাবহার কমিয়ে বাইসাইকেলের ব্যাবহার বৃদ্ধি করা।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকার 2050 সালের মধ্যে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন হার শূন্যে কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে । এটি পরিবহন খাতের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ হতে পারে। যুক্তরাজ্যে 1990-2021 সাল পর্যন্ত কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের হার 43.6% হ্রাস পেয়েছে।পরিবেশ সংরক্ষনে যুক্তরাজ্য সরকার বাইসাইকেল ও ই-বাইক ব্যাবহার করার জন্য অনুরোধ করেছেন।
সাইকেল ব্যাবহারের সুবিধা
যাতায়াতের জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন গাড়িতে গমন করতে হয়।বর্তমান বিশ্বে জানজট অনেক বেশি।বিশেষ করে আমাদের দেশে অনেক বেশি জানজট।এই জানজট থেকে মুক্তি দিতে পারে সাইকেল।তাছাড়া সময় ও আর্থিক দিক খরচও কমিয়ে দিতে পারে সাইকেলের ব্যাবহার।এতে জ্বালানীর প্রয়োজন নেই বলে , দেশের সম্পদ রক্ষা ও আর্থ সাশ্রয় করবে।
সাইকেল ব্যাবহারে যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানেই যাওয়া যায়, কোনো প্রকার সমস্যা ছাড়াই।যেহেতু আমাদের দেশে মানুষের তুলনায় গাড়ি অনেক কম, তাই সাইকেলের ব্যাবহারে এর সমাধানও হয়ে যাবে।এছাড়া স্বাস্থের পক্ষে সাইকেল চালানো অনেক উপকারী।এতে হাজারো রোগ নির্মুল হওয়া সম্ভব।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, করোনা মহামারী চলাকালীন সাইকেল চালানোর জনপ্রিয়তা অনেক বেরে গিয়েছে।এ নিয়ে যুক্তরাজ্যের সাইক্লিং উইকলি রিপোর্ট করেছে, যে লকডাউন চলাকালীন সাইকেল 200% বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাইসাইকেল ও ই-সাইকেলের ব্যাবহার বৃদ্ধি পেলে পরিবেশ দূষন অনেক কমে যাবে।পরিবেশ দূষনের অন্যতম কারনে মধ্যে একটি হলো জ্বালানী চালিত যানবাহন।যদি জ্বালানী চালিত যানবাহনের ব্যবহার কমিয়ে আনা যায় তবে পরিবেশ দূষন রোধ করা সম্ভব।এর জন্য জ্বালানী বিহীন ও বৈদ্যুতিক চালিত গাড়ির ব্যাবহার বাড়াতে হবে।তবেই একটি দেশ অনেকটা পরিবেষ দূষনের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
