অনলাইনে ছবি বিক্রি করে টাকা আয় করুন 2022 (A-Z) সম্পূর্ন, বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে সবকিছু বিস্তারিত ভাবে জানুন- (Sell Your Photos)

0

 ফটোগ্রাফি সম্পর্কিত ২১ টি প্রশ্ন ও উত্তর




বর্তমানে ফটোগ্রাফি করে অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার একটা সুযোগ রয়েছে ।আপনি সখের বশে ফটোগ্রাফি করছেন? আপনি চাইলে আপনার সখ মেঠানোর সাথে সাথে অনলাইনে ছবি বিক্রি করে মোটামুটি ভালো অংকের টাকা ইনকাম করতে পারবেন।সবচাইতে মজার বিষয় হচ্ছে ফটোগ্রাফি করে ইনকাম করতে তেমন কোন অভীজ্ঞতার প্রয়োজন নেই।আপনার একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা বা মুটামুটি ভালমানের ক্যামেরা যুক্ত মোবাইল থাকলে এবং টুকটাক ফটো এডিটিং এর কাজ জানলেই হবে।তারপর বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আপনার তুলা ছবিগুলো বিক্রি করতে পারবেন।

সত্যি বলতে ফটোগ্রাফি বেশ সখের একটি কাজ। আমরা প্রায় প্রতিনয়ত সখের বশে বিভিন্ন ধরনের ছবি তুলে ফেসবুক ও ইনস্ট্রগামে আপলোড করে থাকি। কিন্তু সেখানে ফটো আপলোড করে আমাদের কোন রকম লাভ বা আয় হয় না। অথচ আপনি যদি সেই ছবিগুলো বা বিভিন্ন প্রকৃতির বিভিন্ন দৃশ্য বা বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় জিনিসগুলোর ছবি তুলে সখ মেঠানোর পাশাপাশি অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করতে পারেন।

আজকের পোস্টে বলবো কিভাবে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে অনলাইনে টাকা আয়ের করা যায়।আজকে এ বিষয়ে A-Z সম্পূর্ন,  বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে ক্লিয়ার করে দেব।
 

আজকের বিষয়

অনলাইনে ফটো বিক্রি করে ইনকাম


আজকের প্রশ্ন

1. কারা আপনার ছবি কিনবে এবং কেন কিনবে?
2.ফটোগ্রাফি করতে  কি কি লাগে?
3. কোথায় ছবি বিক্রি করবো?
4. কিভাবে ছবি বিক্রি করবো?
5. কিভাবে স্টক প্রফাইল Approve করবো?
6. অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার  উপায় কি কি?
7. কিভাবে ভালো ভালো ছবি তুলবো?
 8. কোনধরনের ছবি তুলবো
9. কেমন কেমেরা লাগবে?
 10.ছবি  রেজুলেসন কত হলে ভালো বা সর্বনিম্ন কত লাগবে?
11. মোবাইল দিয়ে কি ফটোগ্রাফি করা যাবে?
12. ফটো কি ইডিট করতে হবে?
13. নয়েস ও গ্রেইন  মুক্ত ফটো তুলার উপায় কি?
14. ফোকাস কিভাবে ঠিক রাখবো?
15. ফটো তোলার সেরা কিছু android app
16. ফটো ইডিট করার সেরা কিছু android app
17. ফটো তুলার আগে যে বিষয়ে অবস্যই জানা উচিত
18. ছবি আপলোড এর জন্য যা যা জানা দরকার?
19. ফটোগ্রাফি করতে কি ধর্যের প্রয়োজন?
20. ফটো বিক্রি করে কত টাকা ইনকাম করা যায়?
21. ফটো বিক্রির টাকা কিভাবে হাতে পাবো?

তো চলুন একে একে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর জেনে নেই।

1. কারা আপনার ছবি কিনবে এবং কেন কিনবে?

আজকের যুগে অনেকেই ছবি কিনে থাকে তার মধ্যে  বিভিন্ন কোম্পানী, বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগার, বা অনলাইন বিজনেসম্যানরাই আপনার ছবি গুলো কিনবে।

অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা  বিভিন্ন কাজের জন্য ছবি কিনে। যেমন  বিজ্ঞাপন, প্রমোশন, প্যাকেজিং,ব্রান্ডিং, রাইটিং, ডিজাইন ইত্যাদি কাজে তারা বিভিন্ন ধরনের ছবি কিনে থাকে। তারা  ছবি তোলে সময় নষ্ট না করে  স্টক ইমেজ সাইটগুলো থেকে  মানসম্মত ও কপিরাইট ফ্রি ছবি কিনে নেয়।সুতরাং মানসম্মত ও ভালো কোয়ালিটির ছবি তুলতে পারলে আপনিও ছবি বিক্রি করতে পারবেন।

2.ফটোগ্রাফি করতে  কি কি লাগে?

ফটোগ্রাফি করে অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে।

১। একটি ভালমানের ক্যামেরা

ফটো তুলে বিক্রি করতে হলে আপনার অবস্যই একটি ভালমানের ক্যামেরা লাগবে।আজকাল ফটো ক্রয় করার চেয়ে বিক্রি করার লোক অনেক বেশি।তাই আপনার ছবিটি মানস্মত না হলে কেও কিনবে না।একটি মানসম্মত ছবি তোলার জন্য একটি ভাল মানের ক্যামেরা লাগবে।

২। ফটো তোলার দক্ষতা

সুধু ক্যামেরা ভালো হলেই চলবে না।একটি ছবি কেমন হবে সেটা সম্পূর্ন নির্ভর করে দক্ষতার উপর।ভালো ছবি তুলতে অবস্যই আপনাকে ছবি তোলায় দক্ষ হতে হবে।

৩। ইন্টারনেট ব্যবহার করার দক্ষতা

দক্ষতার সাথে একটি ভালো ছবি তুললেই কাজ শেষ না।সেই ছবিটা বিক্রি করতে হবে।ছবি বিক্রি করতে হলে অবস্যই  আপনার স্টক একাউন্ট লাগবে।এই একাউন্ট তৈরি করা ছবি আপলোড করা সেই টাকা আবার বিদেশ থেকে হাত পর্যন্ত নিয়ে আসা একেবারে সহজ কাজ না।তাই অবস্যই আপনাকে ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষতা লাগবে

৪। ফটো ইডিট করার দক্ষতা

আপনি ফটো তুললেন আর আপলোড করে দিলেন তাহলেই শেষ।না আপনার ফটো ইডিট করে সুন্দর করতে হবে যেন সেগুলো মানুষের পছন্দ হয়।তাছাড়া হালকা ইডিটিং না করলে হয়তো দেখা যাবে ছবিতে নয়েস বা গ্রেইন অথবা ফোকাস ঠিক মতো হয়নি।যে কারনে আপনার ছবিটি  রিভিউ করার সময়ই বাদ পরে যেতে পারে।

৫।ফটো আপলোড করার জন্য একটি ডিভাইস

আপনার ভালমানের একটি dslr ক্যামেরা যেটা দিয়ে খুব সুন্দর সুন্দর ছবি উঠে তাই বলে কি এটা দিয়ে ফটো আপলোড করা যাবে।কখনোই না এর জন্য আপনার একটা ডিভাইস লাগবে।সেটা হতে পারে মোবাইল , কম্পিউটার বা লেপটপ অথবা পিসি যাই হক না কেন একটা ডিভাইস লাগবে।

আরও পরুন

Adobe stock এ একাউন্ট তৈরি ও ফটো আপলোড সম্পূর্ন কাজটি মোবাইল দিয়ে করুন 

Alamy stock এ একাউন্ট তৈরি ও ফটো আপলোড করে টাকা আয় সম্পূর্ন গাইডলাইন।


3. কোথায় ছবি বিক্রি করবো?

কোথায় ছবি বিক্রি করবো?এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।আমি অনেক ভালোমানের একজন ফটোগ্রাফার এবং আমার কাছে অনেক ছবি রয়েছে।এই  ছবি গুলা কোথায় বিক্রি করব?চিন্তার কোন কারন নেই আপনাকে ছবি বিক্রি করতে কোন হাটে যেতে হবে না।আপনার সমস্ত ছবি আপনি ঘরে বসেই অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন।এর জন্য আপনাকে কিছু স্টক ইমেজে একাউন্ট করতে হবে।তারপর সেখানেই  আপনার ছবি গুলো বিক্রি করতে পারবেন।এ বিষয়ে জানতে সম্পূর্ন ব্লগটি পরুন।

4. কিভাবে বিক্রি ছবি করবো?

বিক্রি ছবি করার জন্য প্রথমে আপনাকে কোন একটি বা কয়েকটি স্টক ইমেজ সাইট গুলোতে ফ্রি একাউন্ট তৈরি করতে হবে।তারপর সেখানে ভালোমানের ছবি আপলোড করতে হবে। ছবি আপলোড করার পর আপনার ছবিগুলোর কোয়ালিটি, পিক্সেল ও আনুষাঙ্গিক বিষয় যাচাই করা হবে।তাদের কাছে আপনার ছবি গুলো যদি ভালো মনে হয়। তবে তারা আপনার প্রোফাইল অনুমোদন করবে।এবং আপনার প্রোফাইলটি অনুমোদন হয়ে গেলে তখন আপনি ছবি আপলোড করতে পারবেন। তবে সব স্টকের ক্ষেত্রে এটা প্রযোয্য না।

 আপনি ছবি আপলোড করলেই সাথে সাথে আপনার ছবি কেউ দেখতে বা কিনতে পারবে না। কারণ ছবি আপলোড করার পর তারা আপনার ছবিটি যাচাই বাছাই করে দেখবে।এজন্য তারা কয়েক ঘন্টা সময় নিতে পারে।আর তারপর যদি তাদের মনে হয় ছবিটির সবকিছু ঠিক আছে তবে তারা ছবিটি অনুমোদন করবে।অনুমোদন  হওয়ার পর আপনার ছবিটি সবাই দেখতে পাবে এবং কারো যদি পছন্দ হয় তাহলে ছবিটি  ক্রয় করবে।

5. কিভাবে স্টক প্রফাইল Approve করবো?

স্টক প্রফাইল Approve করা খুব সহজ একটা কাজ।প্রথম কয়েকটি ভালমানের ছবি আপলোড করলেই প্রফাইল Approve হয়ে যাবে।আপনার ছবির মান ভালো না হলে কিংবা ছবিতে কোন ধরনের কপিরাইট মেটারিয়াল থাকলে আপনার প্রোফাইল অনুমোদন হবে না।আপনি একজন ভালো ফটোগ্রাফার হলে প্রোফাইল অনুমোদন করা আপনার জন্য খুব সহজ হবে। তবে নরমাল ছবি দিয়ে কখনো প্রোফাইল অনুমোদন করাতে পারবেন না। 

6. অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার  উপায় কি কি?

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার দুটি উপায় রয়েছে।

১। নিজস্ব ওয়েবসাইট

২। স্টক ইমেজ ওয়েবসাইট

১। নিজস্ব ওয়েবসাইট

নিজস্ব ওয়েবসাইটে আপনি নিজের তোলা ছবি বা আপনার বন্ধুদেরকে নিয়ে ফটো তুলে সেটা আপলোড করে আয় করতে পারবেন। এজন্য প্রথমে আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে।তাই প্রথমে ভালো করে একটি ওয়েবসাইটে তৈরি করে নিবেন।

আপনার ওয়েবসাইটটি প্রস্তুত হয়ে গেলে সেখানে নিয়মিত ছবি আপলোড করতে হবে।এটা আপনি একাও করতে পারবেন।আবার স্টক ওয়েবসাইটের মতো লোক নিয়োগ করেও করতে পারবেন সেটা আপনার খুসি।তারপর ছবি আপলোড করে সেগুলা বিক্রি করতে হতে হবে।আপনার ছবিগুলো গুলা বিক্রি করতে হলে অবস্যই ছবিগুলা ভালো এবং প্রোফেশনাল হতে হবে।কারন পৃথিবীতে অনেক ভালো ভালো স্টক ওয়েবসাইটে এত ভালো ভালো ছবি থাকতে কেউ কি  আপনার ছবি গুলা কিনবে?কখনোই না।

২। স্টক ইমেজ ওয়েবসাইট

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার  সবচেয়ে সহজ উপায় হলো স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রি করা।এজন্য শুধু আপনাকে কিছু স্টক ইমেজ সাইটে গিয়ে ফ্রি একাউন্ট খুলতে হবে।তারপর নিয়মিত মানসম্মত ও ভালো ছবি আপলোড করতে পারলে খুব দ্রুত আপনার ছবিগুলো বিক্রি হওয়া শুরু  হয়ে যাবে।তবে মনে রাখবেন, একটি ছবি শুধুমাত্র একবার বিক্রি হবে এমন না বিক্রি হতে পারে কয়েক হাজার বার।

7. কিভাবে ভালো ভালো ছবি তুলবো?

ভালো ছবি তুলার জন্য একটি ভাল ক্যামেরা ও আপনাকে দক্ষ হতে হবে।ভালো ছবি তোলতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন।

১।আলোর দিকে খেয়াল রাখা

ছবি তোলার সময় খেয়াল করে দেখবেন কোন দিক থেকে আলো আসছে।যেদিক থেকে আলো আসছে সেদিকে ক্যামেরা নিয়ে দারাবেন আর আলোর বিপরীত দিকে লক্ষবস্তু রেখে ছবি তুলবেন।মনে রাখবেন ছারা ছবি কখনই ভালো উঠে না।তাই ছবি তোলার সময় পর্যাপ্ত আলো দেখে ছবি তুলবেন।তবে ক্যামেরা বা মোবাইল ক্যামেরার ফ্লেশ ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকার চেস্টা করবেন।কারন তাতে ছবির কোয়ালিটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

২।ফোকাস ঠিক রাখা

সাধারনত আমরা ছবি তোলার সময় কোনো দিকে খেয়াল না করে একটা ছবি তুলে ফেলি।এরকম সাধারন ভাবে হাজার হাজার ছবি আপলোড করলেউ আপনার একটা ছবিও এপ্রোভ হবে না।তাই ফোকাস ঠিক রেখে সুন্দর করে ছবি তুলতে হবে।

৩।পরিবেষ 

যেখানে ছবি তুলবেন সেখানে কেমন পরিবেষ সেটা খেয়াল রাখুন।আপনি একটি ছবি তুললেন তুলার পর দেখলেন ছবির কিছু অংশে এমন কিছু সহ ছবিটি উঠেছে যে দেখতে অনেক খারাপ দেখা যাচ্ছে।তাই ছবি তোলার সময় ঐ বস্তু টা সরিয়ে বা কিছু দিয়ে ডেকে দিয়ে তারপর ছবি তুলুন। একটি বস্তুর ছবি তুলার সময় দেখুন বস্তুটি পরিস্কার ও সুন্দর কিনা বা ময়লা রয়েছে কিনা থাকলে সেটা পরিস্কার করে ছবি তুলুন।তাহলে অবস্যই ছবিটি ভালো হবে।

8. কোনধরনের ছবি তুলবো?

ফটোগ্রাফি করে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য কিছু ক্যাটাগরির ছবি রয়েছে যেগুলোর ডিমান্ড অনেক বেশি।আপনি সব ধরনের ছবি না তুলে কিছু নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ছবি নিয়ে কাজ করতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

আপনি নিচের ক্যাটাগরির ছবি নিয়ে ফটোগ্রাফি করতে পারেন। 

১।  এবস্ট্রাক্ট

এবস্ট্রাক্ট হলো খুব তীক্ষ বা নিখুত ছবি।মানে খুব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে কাজ করা।যেমন মনে করুন আপনি একটি গাছের পাতার ছবি তুলেছেন সেই ছবিতে পাতার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সিরা উপসিরা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। তবে খুব ভালোমানের ডিএসএলআর ক্যামেরা দিয়ে এ ধরনের ছবি তুলতে হয়। 

২।  আর্ট  বা চিত্রাঙ্কন 

বিভিন্ন মিউজিয়ামে  অনেক সুন্দর সুন্দর হাতে আকা ছবি পাওয়া যায়।আজকাল মোবাইল দিয়েও এধরনের ছবি আকা যায়।

৩।  ফ্যাশন  

ফটোগ্রাফিতে ফ্যাশনের ছবি গুলা বেশ জনপ্রিয়। অনলাাইন ও অফলাইন উভয় জায়গায় এ ধরনের ফটোগ্রাফারদের অনেক ডিমান্ড রয়েছে। বিভিন্ন নামকরা মডেল ও অভিনয় শিল্পিদের বা আপনি নিজেই ফ্যাশন করে ছবি তুলে অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন।

৪। নেচার বা প্রকৃতি 

প্রকৃতির ছবিগুলো অনলাইনে অনেক বেশি পরিমানে বিক্রি হয়ে।প্রকৃতির যে কোন ধরনের ছবি তুলতে পারেন।যেমন কোন ঔষধি বা গুরুত্ব পূর্ন গাছ,পাখপাখালি,ভাল কোন দৃশ্য,ফলফলাদি,বা ফুল ইত্যাদি।

৫। ট্রাভেল বা ভ্রমন 

যারা ভ্রমন করতে ভালবাসে  তারা এই কাজটি খুব সহজে করতে পারবে।বিভিন্ন জায়গাতে ভ্রমন করার সময় সুন্দর সুন্দর জায়গাগুলোর দৃশ্যের ছবি তুলতে পারেন। আপনি যদি ভালো করে এধরনের ছবিগুলো তুলতে পারেন।

৬। ফুড (খাবার)  

 বিভিন্ন হোটেল ও রেষ্টুরেন্টে  বা বাড়িতে ভিবিন্ন খাবার থাকে এই খাবার গুলোর ছবি তুলে বিক্রি করতে পারবেন।

9. কেমন কেমেরা লাগবে?

ফটোগ্রাফির জন্য অবস্যই ভালমানের ক্যামেরা লাগবে।তবে dslr ই লাগবে যে এমন কোন কথা না।মোটামুটি ভাল ছবি উঠে এমন যেকোন ডিভাইস হলেই চলবে।

10.ছবি  রেজুলেসন কত হলে ভালো বা সর্বনিম্ন কত লাগবে?

ছবির রেজুলেশন (৪০০০×৩০০০ px.) বা 12 MP ক্যামেরার ফটো হলেই ভালো রেজুলেশন ধরা হয়।তবে এর চেয়ে বেশি হলে আরো ভালো।এবং সর্বনিম্ন (2592*1520 px) বা 4 MP ক্যামেরার ফটো লাগবে।এর নিচে হলে আপনার ফটো বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

11. মোবাইল দিয়ে কি ফটোগ্রাফি করা যাবে?

বর্তমানের মোবাইল গুলোতে মোটামুটি ভালমানের ক্যামেরা দিয়ে থাকে।আপনি খুব সহজেই মোবাইল দিয়ে ফটোগ্রাফি করে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।তবে dslr  ক্যামেরা হলে ভালো।আপনার যদি dslr ক্যামেরা না থাকে তবে মোবাইল দিয়েই শুরু করতে পারেন।পরবর্তিতে হাতেখরি এলে dslr কিনে নিতে পারেন।

12. ফটো কি ইডিট করতে হবে?

অনলাইনে ফটো বিক্রি করতে হলে অবস্যই ফটো ইডিট করতে হবে।একটা ছবি যদি এক ঘন্টা সময় নিয়ে সুন্দর করে তুলার চেষ্টা করলেও ফটোটি ১০০% প্রফেসনাল হবে না।তাই ফটোটি  নিক্ষুত ভাবে ইডিট করতে হবে।

13. নয়েস ও গ্রেইন  মুক্ত ফটো তুলার উপায় কি?

নতুন ফটোগ্রাফারদের কমন ও বড় একটি সমস্যা হলো নয়েজ ও গ্রেইন  মুক্ত ফটো তুলা।বিশেষ করে মোবাইল ফটোগ্রাফারদের জন্য।১০০% নয়েজ ও গ্রেইন  মুক্ত ফটো তুলা কারও পক্ষে সম্ভব না।তবে এর সমাধান কি?আপনাকে আগেবুজতে হবে ফটোতে কেন নয়েজ ও গ্রেইন হয়।নয়েজ ও গ্রেইন হয় ফটো তুলার সময়।ফটো তুলার যদি ক্যামেরা একটু নরে যায় তবে ফটোতে নয়েজ ও গ্রেইন দেখা দিবে।তাছাড়া পর্যাপ্ত আলোর অভাবে বা আলো অতিরিক্ত হওয়ার কারনে ফটোতে নয়েজ ও গ্রেইন দেখা দেয়।ছবিকে  নয়েজ ও গ্রেইন মুক্ত করতে অবস্যই খুব নিখুত ভাবে ছবি তুলতে হবে।এবং ছবি ইডিটিং করতে হবে।তাছাড়া কিছু অ্যাপ পাবেন যেগুলো ব্যাবহার করে ফটোকে নয়েজ মুক্ত করতে পারবেন।

14. ফোকাস কিভাবে ঠিক রাখবো?

স্টক  ফটোর ক্ষেত্রে ফোকাস গুব গুরুত্ব পূর্ন।কারন আপনার ছবির ফোকাস ঠিক না থাকলে কখনই তারা  আপনার ছবিটি এপ্রোভ করবে না।তাই ফোকাস ঠিকরেখে ছবি তুলতে হবে।চলুন এবার জেনে নেই ফোকাস কি?ফোকাস হলো যে লক্ষবস্তু কে কেন্দ্র করে ছবি তুলছেন সেই অংস টুকু বাদে বাকি ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লুর বা ঘোলা করে ছবি তুলা।মনে করেন আপনি একজন মানুষের ছবি তুলছেন তখন এমন ভাবে ফোকাস করবেন যেন সেই মানুষটি ছাড়া বাকি অংস ব্লুর বা ঘোলা হয়।

15. ফটো তোলার সেরা কিছু android app

অনেকেই আছেন যারা মোবাইল দিয়ে ফটোগ্রাফি করতে চায় কিন্তু তাদের মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে মোটামুভি ভালই ফটো উঠে কিন্তু সেটা কোয়ালিটি ফুল হয় না।তাই তারা ব্যাবহার করতে পারেন কিছু অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।যেগুলো ব্যাবহার করে অনেক ভালো কোয়ালিটির ফটো তুলতে পারবেন।তো চলুন দেখে নেওয়া যাক অ্যাপ গুলো।

1. Open camera

ওপেন ক্যামেরা অ্যাপটিতে অনেক ফিচার রয়েছে। ফটোগ্রাফির জন্য এই অ্যাপটি অনেক জনপ্রিয়।এই অ্যাপটিতে সকল ফিচার ফ্রি।ফিচার কেনার ঝামেলা কিংবা এডের ঝামেলাবিহীন এই ওপেন ক্যামেরাটি। অ্যাপটির মেইন কিছু ফিচার হলো: এক্সটার্নাল মাইক্রোফোন সাপোর্ট করবে। এইচডিআর মোড়ে ফটো তুলতে পারবেন। এক্সপোজার ব্র‍্যাকেটিং এর মত পাওয়ারফুল কিছু ফিচার থাকছে। এছাড়াও থাকছে নয়েজ রিডাকশন ফিচার। এই অ্যাপটি স্বল্প আলোতেও ভালো ছবি তুলতে সাহায্য করে। ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়েও প্যানারোমা মোড় রয়েছে ইত্যাদি।

2. A better camera

ব্যাসিক সব ফিচার দিয়ে সাজানো হয়েছে এ বেটার ক্যামেরা অ্যাপটি।এবং থাকছে ৩৬০ ডিগ্রি প্যানারোমা শট।এবং থাকছে নাইট মোড।অবজেক্ট রিমুভাল এর মতো এডভান্স ফিচারও থাকছে।

অ্যাপটির প্রো ভার্সন রয়েছে।আপনি চাইলে কিনে ব্যাবহার করতে পারবেন।

 3. camera mx

 এই ক্যামেরাতে কিছু ইউনিক মোড রয়েছে।এজন্যই এটি অন্যান্য ফটোগ্রাফি অ্যাপগুলো থেকে অনেকটা আলাদা। অ্যাপটিতে রয়েছে লাইভ শট ফিচার  যার মাধ্যমে GIF তৈরী করাও সম্ভব।তাছাড়াও লাইভ শট ফিচার এর মাধ্যমে ফটো তোলার আগের মূহুর্তগুলোও দেখা যায়।এবং থাকছে স্লো মোশন ফিচার।থাকছে বিভিন্ন ফটো ইফেক্ট।এছাড়া ভিডিও এডিটিং এর অপশন ও থাকছে অ্যাপটিতে।

4.  Bacon camera

ক্যামেরা ২ এপিআই সাপোর্ট ছাড়াই এন্ড্রয়েড ফোনে অসাধারণ সব কাস্টম ক্যামেরা কন্ট্রোল ফিচার যুক্ত করা যায়। লাইভ হিস্টোগ্রাম,টিনি প্ল্যানেট , টাইমড শট, এর মত অসংখ্য ফিচারে ভর্তি রয়েছে বেকন ক্যামেরা অ্যাপটি।

এরকম আরও কিছু অ্যাপ যেগুলোর বর্ননা দিলাম না।এই ক্যামেরা গুলোও অনেক ভালো।

5. Google Camera

 6. Footej Camera 

7. Simple Camera

 8. Your stock camera 

9. Camera360

10. Adobe Lightroom

16. ফটো ইডিট করার সেরা কিছু android app

16. ফটো ইডিট করার সেরা কিছু android app

1. Photo Effects Pro

2. InShot Photo 

3. Fotor Photo

4. PhotoDirector

5. VSCO

6. Enlight Pixaloop

7. Photo Lab Picture

8. Photo Mate R3

(9. Adobe apps

১. include Adobe Photoshop Express

২. Adobe Photoshop Mix

৩.  and Adobe Lightroom)

10. PicsArt

11. Pixlr

12.AirBrush

13. Vimage

14. TouchRetouch

15. Snapseed

17. ফটো তুলার আগে যে বিষয়ে অবস্যই জানা উচিত

আপনি যদি স্টকে বিক্রির উদ্যেস্যে ছবি তুলার কথা ভাবেন তাহলে কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন।

১।আপনি যে ধরনের ছবি তুলতে যাচ্ছেন সেই ছবির  নাম দিয়ে আপনি যে স্টকে ছবিটি আপলোড করবেন সেই স্টে সার্চ দিয়ে দেখবেন।সেখানে কেমন বা কোন কোন এঙ্গেলে  ছবি রয়েছে।সেই ছবিগুলোর উপর  নির্ভর করে আপনি এমন ভাবে ছবি তুলুন যেন ঐ ছবি গুলোর মধ্যে আপনার টা ফাস্ট থাকে।এভাবে যদি ছবি তুলে আপলোড করতে পারেন তাহলে অবস্যই আপনার সবগুলা ছবি বার বার বিক্রি হতে থাকবে।কারন ঐ স্টকে কেউ এসে যখন ঐ বিষয়ে সার্চ করবে  তখন যে ছবিগুলা তার সামনে আসবে তার মধ্যে যদি আপনার ছবিটি সবচাইতে ভালো হয় তাহলে সে আপনার ছবিটিই কিনবে।

২। ছবি তুলার সময় খেয়াল রাখবেন যেন পর্যাপ্ত আলো সেখানে থাকে।এবং ছবিটি যেন স্পস্ট হয়।

৩।কখনোই এক বিষয়ে মাত্র একটি ছবি তুলবেন না।কমপক্ষে কয়েকটি ছবি তুলবেন এবং বিভিন্ন এঙ্গেলে তুলবেন।আর যেই এঙ্গেলের ছবিটি আপনার কাছে ভালো লাগবে সেই এঙ্গেলেরও কয়েকটি ছবি তুলবেন।তারপর যেই ছবিটি সবচেয়ে ভালো উঠেছে সেই ছবিটি একটু ইডিট করে আপলোড করবেন।

৪।পারলে স্টেনে ক্যামেরা বসিয়ে ছবি তুলবেন।স্টেনে ক্যামেরা বসিয়ে ছবি তুললে ছবির কোয়ালিটি ভালো হয়।কারন তখন ছবি তোলার সময় ক্যামেরা নরার কোন ঝুকি থাকেনা।আমরা সবাই জানি ছবি তোলার সময় ক্যামেরা নরলে ছবির কোয়ালিটি নষ্ট হয়ে যায়।

18. ছবি আপলোড এর জন্য যা যা জানা দরকার?

 আপলোড করতে হলে আপনাকে ইংরেজিতে একটু দক্ষ হতে হবে।কেননা আপনাকে আপলোড করার সময় সব কিছু ইংরেজিতে লিখতে হবে।যেমন টাইটেল বা ডিস্ক্রিপসন এবং টেগ লিখতে হবে।তো চলুন জেনে নেই এই  title বা discription এবং tag কি এবং এর কাজ কি।

title বা discription:আপনি যে ছবিটি আপলোড করবেন সেই ছবির নাম সহ ছবিটি সম্পর্কে কিছু লিখতে হবে।title বা discription সুন্দর করে লিখলে আপনার ছবিটি বিক্রির সম্ভাবনা বারবে।

tag:টেগ হলো যে কিওয়ার্ড দিয়ে ছবিটি সার্চ করা হয় সেই রিলেটেড কিছু কিওয়ার্ড ট্যাগ হিসেবে ব্যাবহার করা।আপনার ছবিতে যত বেশি ট্যাগ ইউজ করবেন আপনার ছবিটি তত বেশি রাঙ্ক করবে।তাই অবস্যই ছবি রিলেটেড ট্যাগ বেশি করে এড করবেন।

19. ফটোগ্রাফি করতে কি ধর্যের প্রয়োজন?

এই প্রশ্ন টা আনকমন হলেও অনেক গুরুত্ব পূর্ন।কারন সবার ধর্য্য সমান নয়।আমরা অনেকেই জানি নতুন অবস্থায় অনলাইনে ইনকাম বলতেই ধর্য্যের বেপার রয়েছে।যাদের ধর্য্য নেই তাদের জন্য এই প্লেটফর্ম না।আপনি যদি ফটোগ্রাফি করতে চান তাহলে অবস্যই আপনাকে অনেক ধর্য্যশীল হতে হবে।কেননা গড়ে প্রতিটি ছবির পেছনে কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় লাগতে পারে।সুধু তাই নয় মাঝে মাঝে দেখা যাবে আপনাকে একটি ছবি বার বার তুলতে হবে বা বার বার ইডিট করতে হতে পারে।তবে আপনার যদি ফটোগ্রাফিতে সখ থাকে তাহলে আপনার জন্য কাজটি করা অনেক সহজ ও আনন্দদায়ক হবে।

20. ফটো বিক্রি করে কত টাকা ইনকাম করা যায়?

আপনার আপলোডকৃত ছবি গুলোর উপর নির্ভর করবে আপনার ইনকাম।আপনি প্রতিদিন কত ছবি আপলোড করছেন এবং তা কি পরিমান বিক্রি হচ্ছে তার উপর।এবং একেক স্টকে একেক রকম টাকা দিয়ে থাকে।তবুও একটা ধারনা দিয়ে দেই আপনাকে যদি প্রতি ছবি ডাউনলোডের জন্যে ০.২৫-৬৭$ প্রদান করা হতে পারে। ধরুন আপনার দিনে ৬০টি ছবি বিক্রি হলো এবং প্রতিটি ছবির জন্য ০.২৫$ প্রদান করা হলো। তবে আপনি দিনে.০.২৫*৬০=১৫$ বা বাংলাদেশি টাকায় ১২০০ টাকার মতো এবং মাস শেষে ৩০×১২০০=৩৬০০০ টাকার কাছাকাছি আয় করতে পারবেন। তবে এটা একটা ধারণা মাত্র।আয়ের বিষয়টি নির্ভর করে আপনার ছবির ওপর। এখানে আয় করার কোন লিমিটিট নেই।এটা তো সর্বনিম্ন ভাবুন আপনি যদি প্রতি ছবির জন্য ২০$ বা ৬৭$ পেতেন।

21. ফটো বিক্রির টাকা কিভাবে হাতে পাবো?

আপনি যে স্টক ইমেজ সাইটে ছবি আপলোড করবেন সেই ছবি বিক্রি হলে তা থেকে আপনাকে কিছু পরিমান কমিশন দেয়া হবে। সে কমিশন  জমা হবে আপনার স্টক ইমেজ সাইটে যে  একাউন্টে থাকবে সেখানে।এবং আপনার একাউন্টে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা হলেই আপনি সেটা তুলতে পারবেন। স্টক ইমেজ সাইটগুলো যেহেতু আমাদের দেশের নয়। তাই টাকা তুলাটা খুব সহজ হবে না কিছুটা জটিল পদ্ধতির ভেতর দিয়েই যেতে হবে।তো চলুন ফটোগ্রাফি করে হাতে টাকা আনার  কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেই।

১। লোকাল ব্যাংক

আমাদের দেশের লোকাল ব্যাংক যেমন DBBL, EBL, ইসলামিক ব্যাংক, অগ্ৰণী ব্যাংক ইত্যাদি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা আনতে পারবেন।

বর্তমানে প্রায় সকল স্টক ইমেজ সাইট গুলোতেই  WIRE Transfer এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফারের সুবিধা দেয়া হয়।আপনি চাইলে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন।

২।US Bank Transfer

 যে সকল স্টক ইমেজ সাইটে লোকাল ব্যাংক ট্রান্সফার সিস্টেম নেই সেখানে আপনি US Bank Transfer এর মাধ্যমে পেমেন্ট পেয়ে যাবেন। বড় বড় প্রায় সকল স্টক ইমেজ সাইটেই US Bank Transfer এর সুযোগ রয়েছে।

US Bank এর মাধ্যমে টাকা আনতে MasterCard লাগবে MasterCard পেতে payoneer.com এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। কার্ডটি হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না। কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করার পর কার্ডের মূল্য হিসেবে $২৯ কেটে নেয়া হবে। এবং একাউন্ট রেজিস্ট্রেশনের পর পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে $২৫।তারমানে আপনার খরচ হবে মাত্র $৪।

একাউন্ট রেজিস্ট্রেশনের সময় অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে।এবং কার্ডের জন্য এ্যপ্লাইয়ের সময় প্রমাণ চাইলে আপনার যেকোন স্টক ইমেজ সাইটের প্রোফাইল লিংক দিয়ে দিলেই চলবে। তাতে তারা নিশ্চিত হবে যে কার্ডটি আপনার সত্যিই প্রয়োজন আছে।

৩। Skrill

PayPal ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো বাংলাদেশে PayPal সুবিধা নেই। তবে বিকল্প হিসেবে আপনার বন্ধু হতে পারে Skrill। এটি একটি অনলাইন ব্যাংক সুবিদা। এর মাধ্যমে আপনি অনলাইন ওয়েবসাইটের জন্য domain বা hosting বা বিভিন্ন premium package কেনাকাটা করতে পারবেন।

জনপ্রিয় প্রায় সকল স্টক ইমেজ সাইটেই Skrill এর মাধ্যমে টাকা তোলার সুযোগ আছে।এর জন্য Skrill এ রেজিস্ট্রেশনের করে নিতে হবে।

মনে রাখবেন রেজিস্ট্রেশন করার সময় অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে। কোন তথ্য ভুল দিলে পরে বিপদে পড়বেন।Skrill একাউন্ট থেকে লোকাল ব্যাংকে টাকা পৌঁছাতে প্রায় ৩-৭ দিন সময় লাগে।


Related keyword

ছবি বিক্রি করে কত টাকা আয় করা যায়,কিভাবে টাকা আয় করব,Ptc সাইট থেকে টাকা আয়,মোবাইল ফটোগ্রাফি করে আয়,গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয়,Shutterstock থেকে আয়,টাকা ইনকাম,অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয়,অনলাইন পিক,অনলাইনে টাকা আয়ের উৎস,ফটো সেল,Online a taka income korar upay,মোবাইল ফটোগ্রাফি করে আয়,ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আয়,photo selling website,sell my photos online for money,shutterstock sell photos,how to sell photos online and make money,how to sell photos online

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)