শেয়ার বাজার a to z, শেয়ার বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা ইনকাম করুন।রাতা রাতি ধনি। চেস্টা করলে সবাই পারবেন।

0
 শেয়ার বাজার A-Z শেয়ার বাজার সম্পর্কিত সকল প্রশ্ন-কিভবে কি করতে হবে

share Market A-Z All questions related to the share market-what to do




এই ব্লগ টি পড়ার পরে আপনি জানতে পারবেন শেয়ার বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা ইনকাম কিভাবে করতে হয়। শেয়ার বাজার কি , কেন শেয়ার বাজারে বিনিয়ােগ করবেন , কিভাবে করবেন , কত টাকা লাগবে , কিভাবে শেয়ার কিনবেন , ঘরে বসে শেয়ার কেনা বেচা করা যাবে কিনা , কেমন লাভ হতে পারে , কিভাবে ঝুঁকি কমাবেন , কতদিনের জন্য শেয়ার কিনবেন , ইত্যাদি।তো চলুন সুরু করা যাক।

আজকের বিষয়

শেয়ার বাজার


আজকের প্রশ্ন:

  ১। শেয়ার বাজার কি ?
 ২। শেয়ার বাজারের লক্ষ ও উদ্দেশ্য কি ? 
 ৩। শেয়ার কি এবং শেয়ার কত প্রকার ? 
৪। স্টক এক্সচেঞ্জ কী এবং কি কাজ করে ? 
৫। মিউচুয়াল ফান্ড কি ?
 ৬। ব্রোকার হাউস কি ? 
 ৭। শেয়ার বাজারে বিনিয়ােগ করতে ন্যূনতম কত টাকা লাগবে ?
 ৮। কিভাবে আইপিও'তে শেয়ার পেতে আবেদন করতে হয় ? 
৯৷ শেয়ার বাজার সম্পর্কে আমাদের ভুল ধরনা কি কি ?
১০। ঘরে বসে শেয়ার কেনা বেচা করা যাবে কিনা ?
 ১১। সর্বনিন্ম কতগুলাে শেয়ার কেনা যায় ?
 ১২। শেয়ার কেনার জন্য কখন টাকা জমা দিতে হবে ?
১৩। কোনাে ব্যক্তি মারা গেলে তার নামে থাকা শেয়ারের কি হবে ?
১৪। শেয়ার বাজার থেকে কেন আমরা লাভ করতে পারি না ?
শেয়ার বাজার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ন কিছু প্রশ্ন ও উত্তর।চলুন যেনে নেওয়া যাক।

  ১। শেয়ার বাজার কি  ?(What is the stock market?)


শেয়ার সব্দের সাথে বাজার সব্দটি থাকা বোজা যাচ্ছে এখানে কিছু বেচা বা কেনা হয়।আক্ষরিক অর্থে এখানে কোন কম্পানির শেয়ার বেচা বা কেনা হয়।মানে এখানে কেউ শেয়ার কিনতে আসে আবার কেউ শেয়ার   বিক্রি করতে আসে বা উভয়েই বেচা কেনা করতে আসে।
যে কম্পানি গুলো, ঢাকা স্টক এক্সচেনজ অথবা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেনজ কিংবা উভয় কম্পানিতে তাদের কম্পানি নিবন্ধিত থাকে। ঐসকল কম্পানির শেয়ার বেচা-কেনা করা হয়।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রনালয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে এই শেয়ার বাজারকে নিয়ন্ত্রন করা হয়।

২। শেয়ার বাজারের লক্ষ ও উদ্দেশ্য কি ?


শেয়ার বাজার দুইটি খুবই গুরুত্বপূর্ন কাজ করে।

এর প্রথম লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো: বিভিন্ন কম্পানির ব্যাবসা বাড়াতে সাধারন পাবলিকের কাছ থেকে আইপিওর মাধ্যমে টাকা নিয়ে থাকে।এতে করে ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় টাকার চাহিদা পুরন হয়।এবং ব্যবসা আরও সুন্দর ভাবে করা যায়।

দ্বিতীয় লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো: সাধারন বিনিয়োগ কারি যারা নিজ ইচছায় বিনিয়োগ করতে চায় এবং তারা তাদের পছন্দের কম্পানির শেয়ার কিনতে পারে।এর ফলে উদ্যোকতা ও বিনিয়োগকারি উভয়ের লাভ হয়।

আরও পড়ুন





৩। শেয়ার কি এবং শেয়ার কত প্রকার ? 


সাধারনত একটি শেয়ার একটি কম্পানির মালিকানার ক্ষুদ্র অংশ।যে কোন বিনিয়োগ কারি যে কোন কম্পানির 
শেয়ার কিনে সেই কম্পানির শেয়ার হোল্ডার হতে পারবে।যেকোন কম্পানির মোট মূলধনকে শেয়ার কেপিটাল বলে।মোট মূলধনের টাকাকে ১০ টাকা হিসেবে ভাগ করে যেই সংখা পাওয়া যাবে তাকে মোট শেয়ার সংখা বলে।যেমন একটি কমপানির যদি ২০ কোটি টাকা মোট মোলধন থাকে তাহলে ১০ টাকা হিসেবে ভাগ করলে সেই কম্পানির মোট শেয়ার সংখা হবে ২ কোটি।

আপনি যদি কোন কম্পানির একটি শেয়ারও কিনেন তাহলে ঐ কম্পানির আপনি আংসিক মালিক হবেন।একটি কম্পানির ২ কোটি শেয়ার থাকলে কেও যদি ১০ লাখ শেয়ার ক্রয় করে তাহলে সে ঐ কম্পানির ৫ শতাংসের মালিক হবে।বলে রাখা ভাল আমাদের দেশে ২টি স্টক এক্সচেনজ রয়েছে একটি  ঢাকা স্টক এক্সচেনজ এবং অন্যটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেনজ ।

৪। স্টক এক্সচেঞ্জ কী এবং কি কাজ করে ?


শেয়ার মিউচুয়াল ফন্ড সরকারি বা বেসরকারি বন্ড আর্থিক সামগ্রি কেনা বেচার মাধ্যমিই হলো স্টক  এক্সচেঞ্জ।স্টক এক্সচেঞ্জ সরাসরি কখনই কোন কম্পানির শেয়ার সাধারন বিনিয়োগ কারির কছে কেনা বেচা করে না।এটি কম্পানি আইন ১৯৯৪ এর অধীনে নিবন্ধীত অলাভ জনক একটি  প্রতিষ্ঠান।শেয়ার বাজরে স্টক এক্সচেঞ্জ এর অনেক কাজ রয়েছে।অল্পতে যদি কিছু গুরুত্ব পূর্ন কাজ উল্লেখ করি তাহলে এভাবে বলা যায় যে 
শেয়ার বাজারে ইচ্ছুক কম্পানির তালিকা ভুক্ত করে থাকে স্টক এক্সচেঞ্জ।তালিকা ভুক্ত করার সময় যে সব সর্ত দেওয়া হয়েছিল সেই সব সর্তগুলো মেনে চলছে কিনা তা জাচাই বাছাই করা।সদস্যগন আইন মানছে কিনা তা খতিয়ে দেখা।বিক্রয়ক্রৃত শেয়ারের লেনদেন  সম্পাদনের ব্যবস্থা করা।ইচ্ছুক বিনিয়োগ করিদেরকে প্রসিক্ষন দেওয়া।বাইসেল করার জন্য বড় আকারে আইটি স্থাপনা ও সফটওয়ারের ব্যবস্থা করা।শেয়ার একটি পন্য এবং অন্য দিকে পাবলিক লিমিটেড কম্পানি একটি আলাদা সত্বা  এদুয়ের মধ্যে বিনিয়োগ কারিদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে স্টক এক্সচেঞ্জ কাজ করে।

৫। মিউচুয়াল ফান্ড কি ?


এটি এমন একটি ট্রাস্ট যা বেশ কয়েকজন  বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে।

 এরপর এটি ইক্যুইটি, বন্ড, মানি মার্কেট ইনস্ট্রুমেন্ট, এবং  অন্যান্য সিকিউরিটিগুলিতে অর্থ বিনিয়োগ করে।

 প্রতিটি বিনিয়োগকারীর একটি নিজস্ব ইউনিট থাকে। যা ফান্ডের হোল্ডিং-এর একটি অংশকে পরিচালিত করে।

মোট   বিনিয়োগ থেকে উৎপণ্য লাভ থেকে  NAV এর মাধ্যমে  গণনা করা হয়।তারপর নির্দিষ্ট পরিমাণ কিছু টাকা বাদ দেওয়ার পর বাকি অর্থ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনুপাতিক হারে বিতরণ করা হয়। 

সহজ ভাষায় বললে, মিউচুয়াল ফান্ড হলো:বিপুল সংখ্যক  বিনিয়োগকারীর দ্বারা সংগৃহীত অর্থ দিয়ে তৈরি যে ফান্ড তাকে মিউচুয়াল ফান্ড বলা হয়।

৬। ব্রোকার হাউস কি ? 


ব্রোকার হাউজ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করীদের কে বিভিন্ন সাহাজ্য করে থাকে।।যাদের প্রধান  কাজ হলো শেয়ার বাজারে ক্রয় বিক্রয় করা।আইপিইউর টাকা জমা নেওয়া। সিডিপিয়ের ফ্রি জমা নেওয়া সহ সাধারন বিনিয়োগ কারির জন্য কাজ করা।একটি ব্রোকার হাউজ একটি ব্যাংকের মতো কাজ করে।আমরা সবাই ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে মুটামুটি কিছুটা হলেও জানি।ব্যাংক সাধারনত মানুষের জন্য ব্যাংকিং সেবা দিয়ে থাকে।যেমন:ব্যাংক একাউন্ট খোলা,টাকা জমা নেওয়া,ঋন দেওয়া ইত্যাদি কাজ গুলো ব্যাংক করে থাকে।

ঠিক তেমনি ব্রোকার হাউজ বিনিয়োগ কারীর জন্য বিও একাউন্ট খুলে থাকে।প্রাইমারি বা সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে শেয়ার কেনার জন্য টাকা জমা নেয়।অনলাইন সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের নির্দেশ অনুযায়ি কেনা বেচা করে থাকে।তাছারা ব্যাংক যেমন লোন দেয় ঠিক তেমনি ব্রোকার হাউজ লোন দেয়।এই লোনকে মার্জিন লোন বলা হয়।সকল ব্রোকার হাউজ একই রকম সেবা দেয় না।তাই বিশেষ ভাবে খুজ খবর নিয়ে আপনাকে একটি ভাল ব্রোকার হাউজ নির্বাচন করে নিতে হবে।

 ৭। শেয়ার বাজারে বিনিয়ােগ করতে ন্যূনতম কত টাকা লাগবে ?


শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক নতুন বিনিয়োগকারীদের মনে একটা প্রশ্ন থাকে। প্রথম অবস্থায় বিনিয়োগ করতে কমপক্ষে কত টাকা লাগবে।  শেয়ার বাজারে দুইট ভাবে বিনিয়োগ করা যায়।

 ১. প্রাথমিক বাজার বা আইপিও 
২.  মাধ্যমিক বাজার বা সেকেন্ডারি মার্কেট

 প্রাথমিক বাজার বা  আইপিও: আইপিও তে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিও এর হিসাবে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকার সমপরিমান বাজার মূল্য সেকন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করে রাখতে হবে।তারপর আইপিও করার জন্য কমপক্ষে  ১০ হাজার টাকা প্রয়োজন হবে। তবে আপনি চাইলে ১০ হজার টাকার গুনিতক হারে, যেমন:
১০×১= ১০ হাজার
১০×২=২০ হাজার
১০×৩=৩০ হাজার
১০×৪=৪০ হাজার 
এইভাবে আরও বেশি  টাকার জন্যেও আইপিও আবেদন করতে পারবেন। সুতরাং প্রাথমিক ভাবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বিনিয়োগ করা উত্তম। অবস্য আপনি চাইলে যেকোন পরিমাণ টাকা নিয়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারেন এটা আপনার ইচ্ছা।

মাধ্যমিক বাজার বা সেকেন্ডারি মার্কেট:  সেকেন্ডারি মার্কেটে ব্যবসায় করতে টাকার পরিমান  নির্ভর করে আপনি কত টাকা লাভ করতে চান সেই লাভের হার বা  এক্সপেক্টেড রেট অফ রিটার্নের উপরে। 

আরও পরুন 












৮। কিভাবে আইপিও'তে শেয়ার পেতে আবেদন করতে হয়


আইপিওতে শেয়ার আবেদন করতে চাইলে অবস্যই বিও একাউন্ট লাগবে।একটি বিও একাউন্টে  আপনি একটি মাত্র আবেদন করতে পারবেন।বিও একাউন্ট ব্রকার হাউস খুলে দেয়। যখন কোন কম্পানি আইপিওর মাধ্যমে টাকা উত্তলন সুরু করে।তখন আপনার যে ব্রকার হাউসে বিও একাউন্ট খুলা থাকবে সেখানে আপনাকে আবেদন করতে হবে।

বর্তমানে অনেক ব্রকার হাউজ অনলাইন পদ্ধতি চালু করেছে।আপনি দেশ বা বিদেশ থেকে খুব সহজেই আইপিওতে আবেদন করতে পারবেন।আইপিওতে আবেদন করার ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে লটারি করা হয় ।ড্র করার ২থেকে ৩ ঘন্টা পর ব্রকার হাউজ বা অনলাইনে রেজাল্ট দেখতে পারবেন।

আইপিওতে আবেদনের করার পরে শেয়ার না পেলে আপনার টাকা বিও একাউন্টে চলে আসবে দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে।এখানে কোন লস হবার সম্ভাবনা নেই।আপনার টাকা বিও একাউন্টে চলে আসলে সেই টাকা পুনরায় আইপিওতে বা সেকেন্ডারি মার্কেটে অথবা বের করে নিতে পারবেন।আইপিওতে আবেদন করে শেয়ার পেলে আপনার টাকা কম্পানি পাবে এবং একটি নির্দিষ্ট  সময়ের মধ্যে লেনদেন সুরু হবে  টাকা কম্পানি 

৯। শেয়ার বাজার সম্পর্কে আমাদের ভুল ধরনা কি কি ?


শেয়ার বাজার নিয়ে মানুষের প্রথম যে ভুল ধারনা তা হলো: শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা আর জুয়া খেলা এক কথা।শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা আর জুয়া খেলা এই বাক্যটি ১০০ ভাগ মিথ্যা।বিনিয়োগের সাথে যুয়া এই কথাটা বরই বেমানান।যুয়া খেলা মানে হচ্ছে আপনি হয় ১০০ টাকা লাগিয়ে ২০০ টাকা ফেরত  পাবেন। অথবা ১০০ টাকা লাগিয়ে একটাকাও ফেরত পাবেন না।এবার আসুন শেয়ার বাজারে,  আপনি একশত টাকা বিনিয়োগ করলে মূলধন কখনই শূন্য হবে না।শেয়ারের চাহিদা অনুযায়ী দাম বারবে অথবা কমবে।দাম বারা বা কমারো একটা গতি আছে।বেশি কমে যাওয়ার আগে আপনি চাইলে ঐ শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে ঐ কম্পানি থেকে বের হতে পারবেন।

দুই নাম্বার ভুল ধারনা শেয়ার বাজার সুধু মাত্র ধনি মানুষদের জন্য।আমাদের দেশে প্রায় ৭০  ভাগ মানুষি কম টাকা দিয়ে শেয়ার বাজারে আসে।

নাম্বার তিন শেয়ার বাজারে  বিনিয়োগ করতে কোন জ্ঞ্যান লাগে না লাগে ভাগ্য।শতভাগ অবাস্তব কথা।যদি এমনটি হতো আমাদের দেশের এত মানুষ লসের সম্মুখখিন হতো না।তাই শেয়ার বাজারে  বিনিয়োগ করার জন্য জ্ঞ্যানের বিকল্প নেই।

১০। ঘরে বসে শেয়ার কেনা বেচা করা যাবে কিনা ?


আপনি চাইলে ঘরে বসে শেয়ার বেচা-কেনা করতে পারবেন।এমন কি আপনি যদি বিদেশেও থাকেন তবুও শেয়ার কেনা বেচা করতে পারবেন।এর জন্য আপনার একাউন্টে আগে টাকা জমা দিতে হবে।এবং মার্কেট খুলা থাকা সময় আপনি ব্রকার হাউজে  কল করে  শেয়ার কেনা বেচা করতে পারবেন।তবে এখন সুবিদা আরো বেশি কেননা এখন আপনি মোবাইল এপের মাধ্যমে আপনি ট্রেড করতে পারবেন।

১১। সর্বনিন্ম কতগুলাে শেয়ার কেনা যায় ?


আপনার যত গুলো ইচ্ছা আপনি ততগুলা শেয়ার  কিনতে পারবেন।কোন একটা কম্পানির একটি শেয়ার কিনতে চাইলে আপনি একটি শেয়ারও কিন্তে পারবেন।মানে এখানে কোন ধরা বান্দা নিয়ম নেই।


১২। শেয়ার কেনার জন্য কখন টাকা জমা দিতে হবে ?


শেয়ার কিনার আগে ব্রকার হাউজে নগদ টাকা কিংবা চেক জমা দিতে হবে।তারা আপনার একাউন্টে আপনার নির্ধারিত টাকা ঢুকিয়ে দিবে।আপনার যখন ইচ্ছা তখন শেয়ার  বেচা কেনা করতে পারবেন।

১৩। কোনাে ব্যক্তি মারা গেলে তার নামে থাকা শেয়ারের কি হবে ?


কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার নামে থাকা শেয়ারটি নমিনির নামে নিয়ে আসা যাবে।বিও একাউন্ট খোলার সময় একজন বা দুই জন নমিনির নাম দেওয়া যেতে পারে।তারা যেকোন সমস্যায় টাকা তুলতে পারবে।


১৪। শেয়ার বাজার থেকে কেন আমরা লাভ করতে পারি না ?


শেয়ার বাজারে সফলতা না পাওয়ার পিছনে অনেক কারন থাকতে পারে ।তার মধ্যে কিছু উল্লেখ যোগ্য কারন হলো কোন লক্ষ ছারা বিনিয়োগ করা।সব টাকা দিয়ে একটি কম্পানির শেয়ার কিনা।শেয়ার কিনার আগপর্যন্ত রিসার্চ না করা।খারাপ কম্পানির শেয়ার কিনা।খুব তারা তারি বড়লোক হতে চাওয়া ইত্যাদি।

আমাদের শেষ কথা

পোস্টটি কেমন হয়েছে সেটা অবস্যই জানাবেন।এবং এই আরটিকেলে যদি কোন ভুল বা ক্রটি থাকে তাহলে অবস্যই কমেন্টে জানাবেন।আর আপনার যদি কোন বিষয়ে জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে সেইটা কমেন্টে প্রশ্ন করতে পারেন।আমি অবস্যই চেস্টা করবো সেই প্রশ্নটার উত্তর দিতে।আপনার যদি আমাদের ওয়েব সাইটের বিষয়ে কোন মতামত থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।



Related keyword
ধনী হওয়ার মন্ত্র,ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার উপায়,বাংলাদেশে মোট কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে,টাকাওয়ালা হওয়ার উপায়,ধনী হওয়ার ব্যবসা,ধনী হওয়ার লক্ষণ,শেয়ার বাজারের বর্তমান অবস্থা ২০২১,রবি শেয়ার বাজার নিউজ,আগামীকাল শেয়ার বাজার খবর,শেয়ার বাজার ইপিএস,শেয়ার বাজার প্রশিক্ষণ,অর্থসূচক শেয়ার বাজার,ঢাকা শেয়ার বাজার,কলকাতা শেয়ার বাজার,ঢাকা শেয়ার বাজার,শেয়ার বাজার কি হালাল,শেয়ার বাজারে লাভ করার উপায়,বাংলাদেশের শেয়ার বাজার কয়টি,শেয়ার কি,আজকের শেয়ার বাজার,শেয়ার ব্যবসা কি,Stock trading wikipedia,Stock trading for beginners,How stock market works,Stock trading platforms,Types of stock market,U.S. stock market,Stock trading courses,Stock trading apps,Chittagong Stock Exchange,Dhaka stock Exchange live,Stock market price list,Dse market,Dhaka Stock Exchange index,DSE top 20,Amar stock,Dhaka Stock Exchange AGM,শেয়ার বাজার দর,নতুনদের জন্য শেয়ার বাজার,শেয়ার বাজার ট্রেনিং,শেয়ার বাজারে লাভ করার উপায়,টাকা বিনিয়োগ করার উপায়,টাকা ইনভেস্ট করে ইনকাম,কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায়,টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)