একটি মেঘের ওজন এক মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি হতে পারে, মহাকাশে যেতে সময় লাগবে মাত্র এক ঘণ্টা,সানগ্লাস মূলত চীনা বিচারকদের আদালতে তাদের মুখের ভাব লুকানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল,100 বছর ধরে বিলুপ্ত বলে মনে করা একটি বিশালাকার কাছিম সম্প্রতি গ্যালাপাগোসে আবিষ্কৃত হয়েছে,এমন একটি সংস্থা রয়েছে, যারা মৃতদেহ দিয়ে সমুদ্রের প্রাচীর তৈরি করে!এই সকল রহস্যময় আজব সত্য তথ্য জানতে সম্পূর্ন পোস্টটি পরুন।
১। একটি মেঘের ওজন এক মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি হতে পারে।
মেঘগুলি দেখতে যতটা হালকা এবং তুলতুলে মনে হয়, আসলে বাস্তবে সেরকম না।গবেষকরা জানতে পেরেছেন, এক খন্ড মেঘের ওজন প্রায় 1.1 মিলিয়ন পাউন্ড বা 498951.607 কেজি বা 12,473.8 মন ।তারা হিসাবটি করেছে, একটি মেঘের আয়তন নির্নয় করে।যেহেতু মেঘে সম্পূর্নই পানি,তাই ঐ আয়তনে কতটুকু পানি রাখা যাবে সেই হিসাবে মেঘের ওজন নির্নয় করা হয়েছে।কিন্তু প্রশ্ন হল ,এত ভারী মেঘ কিভাবে ভেসে আছে?যখন মেঘের সম উচ্চতায় কোনো কিছু রাখা হলে পরে যায়।এর সঠিক উত্তর হল পানিতে একটুকরো লোহা যেমন তলিয়ে যায়।অথচ লোহার নৌকা বা লন্চ ভেসে থাকে।সেরকম ভাবেই ভরের তুলনায় মেঘের আয়তন বড়।,যারফলে মেঘ ভেষে থাকে।মেঘের নিচের বায়ুর ভর মেঘের থেকেও অনেক ভারি।যে কারনে মেঘ ঐ বায়ুর উপর ভেসে থাকে।
২। মহাকাশে যেতে সময় লাগবে মাত্র এক ঘণ্টা।
জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফ্রেড হোয়েলের মতে, কোন যান নিয়ে যদি ঘণ্টায় ৬০ মাইল বেগে আকাশের দিকে যাওয়া হয়,তবে মাত্র এক ঘন্টায় মহাকাশে পৌছনো সম্ভব।এই হিসাবটি খুবই নিখুঁতভাবে করা হয়েছে।
৩। সানগ্লাস মূলত চীনা বিচারকদের আদালতে তাদের মুখের ভাব লুকানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।
আপনি কি জানেন, আমরা যে সানগ্লাস ব্যবহার করি সেটা প্রথম কেন তৈরি করা হয়েছিল? সানগ্লাসগুলি মূলত 12 শতকে চীনে স্মোকি কোয়ার্টজ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে বিচারকরা সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তাদের আবেগকে লোকানোর জন্য ব্যবহার করতেন ।আর আজ, সানগ্লাস প্রতিরক্ষামূলক চশমা হিসাবে কাজ করে। এবং উজ্জ্বল সূর্যালোক ও ধুলোবালি থেকে চোখকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
৪। 100 বছর ধরে বিলুপ্ত বলে মনে করা একটি বিশালাকার কাছিম সম্প্রতি গ্যালাপাগোসে আবিষ্কৃত হয়েছে।
যেহেতু 100 বছরেরও বেশি সময় ধরে একটি ফার্নান্দিনা দৈত্যাকার কচ্ছপ দেখা যায়নি,তাই বিজ্ঞানীরা ভেবে ছিলেন এই কচ্ছপটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।কিন্তু 2019 সালের ফেব্রুয়ারী মাসে গ্যালাপাগোসের ফার্নান্দিনা দ্বীপে একটি বয়স্ক মহিলাকে কাছিম দেখা গিয়েছিল। কচ্ছপটি খুবই বৃদ্ধ ছিল।এমন একটি বিলুপ্ত কচ্ছপকে দেখে সবাই অনেক খুশি হয়।
৫। এমন একটি সংস্থা রয়েছে, যারা মৃতদেহ দিয়ে সমুদ্রের প্রাচীর তৈরি করে!
যারা মৃতদেহকে সমুদ্রে দাফন করতে চায় ,তাদের জন্য কোম্পানি খুবিই পছন্দনীয় হতে পারে।কিছু কংক্রিটের সাথে লাশটিকে মিশ্রিত করে তাতে একটি মুক্তা লাগানো হয়।লাশটির পরিবারের লোকজন ও প্রিয়জনরা খুদাই করে তাতে বিভিন্ন চিহ্ন দিয়ে রাখে।যা পরে সমুদ্রে ফেলে আসা হয়।এটি পরবর্তিতে মাছ ও বিভিন্ন প্রানির বাসস্থান হয়।
শেষ কথা
এরকম রহস্যময় রোমান্চিত সত্য ও কাল্পনিক গঠনা এবং আনন্দময় ও গুরুত্বপূর্ন টিপ্স সম্পর্কে পরতে নিয়মিত ভিজিট করুন jantaparba.com ওয়েবসাইটটিতে।আর হ্যা অবস্যই পোস্টটি কেমন হয়েছে সেটা জানাতে ভুলবেন না।আর আপনার যদি কোন বিষয়ে জানার ইচ্ছা থাকে বা প্রশ্ন থাকে তাহলে সেইটা কমেন্টে বলতে পারেন।আমি অবস্যই চেস্টা করবো সেই প্রশ্নটার উত্তর দিতে।আপনার যদি আমাদের ওয়েব সাইটের বিষয়ে কোন মতামত থাকে তাহলে সেটাও কমেন্টে জানাতে পারেন।
পাবলিশার,
নামঃ মোঃ তারিকুল ইসলাম আলম
ঠিকানাঃ ময়মনসিংহ,বাংলাদেশ
পেশাঃ আমি একজন শিক্ষার্থী।লেখাপরার পাশাপাশি শখের বসে মাঝে মাঝে লেখালেখি করি।




