আমাজন বনে গুপ্তধন উদ্ধার করতে যেয়ে যা দেখলো ! পর্ব ২

0

আমাজন বনে গুপ্তধন উদ্ধার করতে যেয়ে যা দেখলো ! পর্ব ২ এ পরের বা দ্বিতীয় অংশ বলবো ।তো চুল সুরু করা যাক


গল্পের ২য় অংশ


তারপর সেই বিশাল গুহায় ডুকে পরলাম।সেখানে অন্ধকারে কিছু দেখা যাচ্ছে না।ঝাপসা ঝাপসা দেখলাম গুহায় একটা মসাল দেখা যাচ্ছে।আমি এগিয়ে গিয়ে মসালটি হাতে নিতেই মসালে আগুন ধরে গেল।সবাই অবাক হলাম।


এবং একটু ভয়ও পেলাম।তারপর বুকভরে দম নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকলাম।পায় এক ঘন্টা হাটার  পর ।সামনে দেখতে পেলাম বিশাল বড় এক দরজা।সেটা লম্বায় আনুমানিক ৪০ হাত উচু এবং পাশে আনুমানিক ৩০ হাত হবে।দরজাটির আশে পাশে অনেক গুলো অত্যাধুনিক মশাল রয়েছে।





এবং দরজায় লেখা আছে, [" দরজার ডানপাশে ছোট একটি সিদ্র আছে।সেখানে একটি চাবি প্রবেশ করালে দরজাটি খুলবে।চাবিটি রয়েছে দরজার একদম উপরের একটি বাক্সে যেই বাক্স টি লক করা।বাক্সটির চাবির ইশারায় বাক্সটিকে শূন্যে ভাসিয়ে পরিচালনা করা যায়।এই বাক্সটির চাবি রয়েছে এই বিশাল দরজার একটি ডয়ারে।সেখান থেকে চাবি আনতে পারবে মেধার সাহায্যে অন্যথায় মারাপড়বে!বাক্সের চাবির সংকেত=(সেখানে কিছু ছবি আকানো সংকেত ছিল ) ]


এই লেখাটুকু পড়ে স্পষ্ট কিছু বুজতে পারলাম না।তাই লেখাটা আবার পড়লাম।হ্যা এখন একটু একটু বুজতে পারছি ।তবে বাক্সের চাবির সংকেত পুরোপুরি বুজতে পারলাম না।যেটা কিনা গুরুত্ব পূর্ন।সবাই মিলে বার বার চিত্রটিকে দেখে একটা সিদ্ধান্তে আসলাম সেটা হলো, দরজায় তিনবার টাচ করে কিছুক্ষন পর আবার সাতবার টাচ করতে হবে।তারপর তাই করলাম।অবাক কান্ড দরজায় একটা রুমের মত খুলে গেল।বাহির থেকেই দেখা যাচ্ছিল ঘরটির ভিতরে একটি খুটি খুটির উপর চাবিটি রাখা আছে।আমাদের মধ্য থেকে একজন চাবিটি আনার জন্য ভিতরে গেল।সে ভিতরে চাবিটি টাচ করার সাথে সাথে বৈদ্যুতিক শকে  মারা গেল।এবং তার সরীর বাষ্প হয়ে নিস্বেস হয়ে উরে গেল।সুধু তার হারগুলো পরে রইল।কিছু বোজার আগেই আমার আরও এক বন্ধু উধাও হয়ে গেল।আর আমরা বাকি রইলাম সাত বন্ধু।জানি মরতেই হবে।তাই জীবনের মায়া তেগকরেছি।


তারপর ঘরটিতে খেয়াল করে দেখলাম এক কোনে একটি ছিদ্র রয়েছে।ছিদ্রটি দেখে আবার চাবির সাংকেতিক চিত্রের দিকে খেয়াল করলাম ।হ্যা এবার আরেকটু বুঝতে পারছি।যে ছিদ্রটিতে একটু আগুন দিতে হবে।তারপর মশালথেকে সেখানে একটু আগুন দেওয়ার সাথে সাথে চাবিটি শূন্যে ভেশে গেল।তারপর চাবিটি নিয়ে চাবির ইশারায় বাক্সটি নামালাম।এবং বাক্স থেকে দরজার চাবিটি বের করলাম ।এবং দরজাটি খুললাম।(সংক্ষিপ্ত)


তারপর বিশাল দরজার ভিতরে ডুকে দেখলাম ঘরটি এত বড় যে শেই তুলনায় এই বিশাল দরজাটি অতি নগন্য।তবে এত বড় ঘরটিতে কিছুই ছিল না।এমন কি আর অন্য কোন দরজা বা জানালাও ছিল না।ছিলনা অন্য কোনো রুম।তখন হঠাত করে পেছনের দরজাটি বন্ধ হয়ে গেল।তখন ভাবলাম হয়তো এগরেই রয়েছে আমাদের মৃত্যু।


একটু চিন্তা ভাবনার পর বললাম চলো সবাই পুরো ঘরটি পর্যবেক্ষন করে দেখি যদি কোন উপায় পাওয়া যায়।কিছু খন পর আমার একবন্ধু বললো এই দেখ! মনে হয় কোন সংকেত।সংকেতটি দেখে সবাই বোজে ফেললাম কি করতে হবে।সংকেতটা দেখে বোজলাম , নিচের মেঝেতে পাচবার আগাত করতে হবে।তাই মেঝেতে পাচবার আগাত করলাম।তারপর দেখলাম ঘরের একপাশে মেঝেতে খানিক জায়গা পাথরের মেঝে ভেঙ্গে প্রায় দুই হাত উপরে উঠে গেছে।এবং ঐ সোজা উপরের ছাদটাও ঠিক তত টুকু জায়গা ভেঙ্গে অনেক উপরে চলে গেছে।


তারপর সংকেত মতাবেক মেঝেতে ভেঙ্গে উঠা যায়গায় দারালাম এবং পুনরায় পাচবার মেঝেতে আগাত করলাম।আগাত করার সাথে সাথে স্প্রিঙ্গের মত আমাদেরকে উপরের দিকে ছুরে মারলো।আমরা অনেক উপরে উঠতেই থাকলাম এবং এক সময় সেই ভাঙ্গা ছাদ টি যতদূর গিয়েছিল সেখানে যেয়ে চুম্বুকের মতো লেগে রইলাম।কিছুক্ষন পর সেই ছাদটি আমাদেরকে নিয়ে দিগুন গতিতে নিচের দিকে চলতে লাগলো।একসময়  আবার সেই ঘরটির কাছা কাছি চলে গেছে এরকম সময় দেখলাম, সোজা নিচে মেঝের কিছু অংশ নেই ।সেখানে অন্ধকার দেখাযাচ্ছে।মনে হচ্ছে অনেক গভীর।ততক্ষনে উপরের ছাদটি আমাদেরকে নিয়ে অন্ধকার সরু ছিদ্র পথে নিচের দিকে নিয়ে ছুটলো।এভাবে অনুমানিক তিনদিন  ধরে নিচের দিকে যেতে থাকলাম।


আরও পরুন


আমাজন বনে গুপ্তধন উদ্ধার করতে যেয়ে যা দেখলো তারা! সুনলে আতকে উঠবেন।পর্ব ৩


আজ এপর্যন্তই। ৩য় বা শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন


Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)